ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও অন্যান্য ৮ আসামির খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 191

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দলের আরও সাত নেতাকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় দেন। আদালত জানিয়েছে, মামলাটি রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার শুনানি শেষে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। খালেদা জিয়া, যিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন, আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম হাজির ছিলেন।

আরও পড়ুন  শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার নামে দুই কলেজের নামকরণের সিদ্ধান্ত

মামলার প্রসঙ্গে দুদকের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করা হলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের আবেদন করেন। আদালত মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের খালাসের রায় প্রদান করেন।

মামলাটি ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়, যখন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম খালেদা জিয়া এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ২০০৮ সালে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এই মামলায় ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সি এম ইউছুফ হোসাইন, মীর ময়নুল হক, মো. শফিউর রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সেলিম ভূঁইয়া, ও কাশেম শরীফ।

এদিকে, দুই আসামি এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং মওদুদ আহমদ মৃত হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ ছিল যে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে খালেদা জিয়া ও তার সহকর্মীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডার একটি কোম্পানিকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুযোগ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও অন্যান্য ৮ আসামির খালাস

আপডেট সময় ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দলের আরও সাত নেতাকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় দেন। আদালত জানিয়েছে, মামলাটি রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার শুনানি শেষে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। খালেদা জিয়া, যিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন, আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম হাজির ছিলেন।

আরও পড়ুন  দেশে ফিরলেন বেগম খালেদা জিয়া, অভ্যর্থনায় বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল

মামলার প্রসঙ্গে দুদকের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করা হলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের আবেদন করেন। আদালত মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের খালাসের রায় প্রদান করেন।

মামলাটি ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়, যখন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম খালেদা জিয়া এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ২০০৮ সালে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এই মামলায় ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সি এম ইউছুফ হোসাইন, মীর ময়নুল হক, মো. শফিউর রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সেলিম ভূঁইয়া, ও কাশেম শরীফ।

এদিকে, দুই আসামি এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং মওদুদ আহমদ মৃত হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ ছিল যে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে খালেদা জিয়া ও তার সহকর্মীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডার একটি কোম্পানিকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুযোগ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।