ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন
জাতীয়

নিজেদের সুবিধার আশায় স্বৈরাচারের দালালি করেছে একদল সাংবাদিক: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 433

ছবি সংগৃহীত

 

বর্তমান সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ সামনে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই বিষয়ে বক্তৃতা দেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে কিছু সাংবাদিক নিজেদের সুবিধার জন্য স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল, গণমাধ্যমকে সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করা এবং মানুষের অধিকার হরণ করা। এসব সাংবাদিকতা কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ছিল, যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন  ৩০ বছর পর বাংলাদেশহীন বিশ্বকাপ: হাহাকার আর রোমাঞ্চের দোলাচল

শফিকুল আলম আরও বলেন, “বর্তমানে স্বাধীন সাংবাদিকতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সযত্ন সমালোচনার প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি সরকারের অপ্রতুলতার বিষয়গুলি আলোচিত হতে পারে।” 

তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় পাঁচজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, অনেকেই আহত হয়েছেন। তবে অনেকেই সাহসিকতার সাথে সত্য প্রকাশ করেছেন। শফিকুল আলম এক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।”

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম বলেছেন, “কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হবে না, তবে ফ্যাসিবাদের প্রভাবমুক্ত গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে।”

‘ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম চাই’ প্ল্যাটফর্মের মুখপাত্র প্লাবন তারিক এই আলোচনায় ১-৩৬ জুলাই পর্যন্ত প্রকাশিত কিছু সংবাদ-সম্পাদকীয় পর্যালোচনা করেন, যেগুলোকে ফ্যাসিবাদের বয়ান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

শফিকুল আলম এবং অন্য বক্তারা দেশে স্বাধীন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয়

নিজেদের সুবিধার আশায় স্বৈরাচারের দালালি করেছে একদল সাংবাদিক: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০৭:২৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বর্তমান সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ সামনে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই বিষয়ে বক্তৃতা দেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে কিছু সাংবাদিক নিজেদের সুবিধার জন্য স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল, গণমাধ্যমকে সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ করা এবং মানুষের অধিকার হরণ করা। এসব সাংবাদিকতা কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ছিল, যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূস বাংলাদেশকে নিপীড়নের ছায়া থেকে বের করে আনছেন

শফিকুল আলম আরও বলেন, “বর্তমানে স্বাধীন সাংবাদিকতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সযত্ন সমালোচনার প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি সরকারের অপ্রতুলতার বিষয়গুলি আলোচিত হতে পারে।” 

তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় পাঁচজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, অনেকেই আহত হয়েছেন। তবে অনেকেই সাহসিকতার সাথে সত্য প্রকাশ করেছেন। শফিকুল আলম এক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।”

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম বলেছেন, “কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হবে না, তবে ফ্যাসিবাদের প্রভাবমুক্ত গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে।”

‘ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম চাই’ প্ল্যাটফর্মের মুখপাত্র প্লাবন তারিক এই আলোচনায় ১-৩৬ জুলাই পর্যন্ত প্রকাশিত কিছু সংবাদ-সম্পাদকীয় পর্যালোচনা করেন, যেগুলোকে ফ্যাসিবাদের বয়ান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

শফিকুল আলম এবং অন্য বক্তারা দেশে স্বাধীন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।