ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

শাহবাগ মোড়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, আহত ৪: পুলিশি হামলায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 359

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর নিবন্ধিত নিয়োগপ্রত্যাশী এবং সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকরা সোমবার দুপুরে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। তাদের দাবির মধ্যে অন্যতম হলো, তৃতীয় ধাপে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা এবং নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া।

দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে পুলিশ ২টার দিকে লাঠিচার্জ এবং জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে চেষ্টা করে। এতে দুই শিক্ষকসহ চারজন আহত হন। তবে, পরিস্থিতি শান্ত না হলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলতে থাকে।

আরও পড়ুন  ‘জুলাই সনদ’ না দেওয়া পর্যন্ত শাহবাগে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি তিনটি ধাপে দেওয়া হলেও, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সম্পন্ন হলেও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগপ্রত্যাশীরা বলছেন, তাদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি চলছে এবং নতুন প্রার্থীদের খোঁজা হচ্ছে, যা তাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

আন্দোলনকারী আখলিমা আক্তার বলেন, “সুপারিশ পেয়েও যোগ দিতে না পারার কারণে ৬ হাজার ৫৩১টি পরিবার বিপদে পড়েছে। আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

পুলিশি হামলার শিকার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন, নাজমুন নাহার কণা, শিক্ষার্থী সিমা আক্তার ও তানজিলা আক্তার। আহত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পুলিশ তাদের একদিকে আক্রমণ করেছে এবং এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে লাঠিপেটা করা হয়, যার প্রতিবাদ করায় তাদের ওপরও লাঠিচার্জ করা হয়।

এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের বারবার সড়ক ছেড়ে যেতে বলা হলেও তারা তা মানেনি, তাই বাধ্য হয়ে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহবাগ মোড়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, আহত ৪: পুলিশি হামলায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে শিক্ষকদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর নিবন্ধিত নিয়োগপ্রত্যাশী এবং সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকরা সোমবার দুপুরে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। তাদের দাবির মধ্যে অন্যতম হলো, তৃতীয় ধাপে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা এবং নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া।

দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে পুলিশ ২টার দিকে লাঠিচার্জ এবং জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে চেষ্টা করে। এতে দুই শিক্ষকসহ চারজন আহত হন। তবে, পরিস্থিতি শান্ত না হলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলতে থাকে।

আরও পড়ুন  সাম্য হত্যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শাহবাগে সকাল-সন্ধ্যা ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি তিনটি ধাপে দেওয়া হলেও, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ সম্পন্ন হলেও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগপ্রত্যাশীরা বলছেন, তাদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি চলছে এবং নতুন প্রার্থীদের খোঁজা হচ্ছে, যা তাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

আন্দোলনকারী আখলিমা আক্তার বলেন, “সুপারিশ পেয়েও যোগ দিতে না পারার কারণে ৬ হাজার ৫৩১টি পরিবার বিপদে পড়েছে। আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

পুলিশি হামলার শিকার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন, নাজমুন নাহার কণা, শিক্ষার্থী সিমা আক্তার ও তানজিলা আক্তার। আহত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পুলিশ তাদের একদিকে আক্রমণ করেছে এবং এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে লাঠিপেটা করা হয়, যার প্রতিবাদ করায় তাদের ওপরও লাঠিচার্জ করা হয়।

এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের বারবার সড়ক ছেড়ে যেতে বলা হলেও তারা তা মানেনি, তাই বাধ্য হয়ে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।