ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জাতিসংঘ প্রতিনিধি:

গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 212

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি রাজাগোপাল সম্প্রতি গাজার পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলছেন, গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণে গাজা শহরের প্রায় ৮০% বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। আক্রমণের ফলে ৪৭,০০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

রাজাগোপাল আরও জানান, গাজার অবস্থা এতটা বেদনাদায়ক যে, এটি শুধু তাত্ক্ষণিকভাবে নয়, ভবিষ্যতেও গভীর প্রভাব ফেলবে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লাখ লাখ মানুষ এখনও মানবিক সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করছে, অথচ আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছাতে পারছে না।

আরও পড়ুন  ইউরোপের নতুন সামরিক শক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘোষণা

গাজায় এই ভয়ের তকমা সারা বিশ্বের জন্য এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা হয়ে উঠেছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর প্রক্রিয়া দ্রুত চালু করতে এবং এই যুদ্ধে যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ প্রতিনিধি:

গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট

আপডেট সময় ০৩:২২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

 

জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি রাজাগোপাল সম্প্রতি গাজার পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বলছেন, গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণে গাজা শহরের প্রায় ৮০% বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। আক্রমণের ফলে ৪৭,০০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

রাজাগোপাল আরও জানান, গাজার অবস্থা এতটা বেদনাদায়ক যে, এটি শুধু তাত্ক্ষণিকভাবে নয়, ভবিষ্যতেও গভীর প্রভাব ফেলবে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লাখ লাখ মানুষ এখনও মানবিক সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করছে, অথচ আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছাতে পারছে না।

আরও পড়ুন  কঙ্গোতে সংঘাতের তীব্রতা: জানুয়ারি থেকে নিহত ৭ হাজার, লাখো মানুষ আশ্রয়হীন

গাজায় এই ভয়ের তকমা সারা বিশ্বের জন্য এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা হয়ে উঠেছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর প্রক্রিয়া দ্রুত চালু করতে এবং এই যুদ্ধে যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে সহায়তা করতে।