আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই দিবস
- আপডেট সময় ০৩:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
- / 25
তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আধিপত্যের এই যুগে মানুষের জীবন যখন ক্রমেই যান্ত্রিক হয়ে উঠছে, তখন বই পড়ার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিতেই ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে আসছে এই দিবস। বই পড়া, বই ছাপানো এবং কপিরাইট সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসের মূল লক্ষ্য।
বিশ্ব বই দিবসের ধারণাটি প্রথম আসে স্প্যানিশ লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের কাছ থেকে। ১৬১৬ সালের ২৩ এপ্রিল স্পেনের প্রখ্যাত সাহিত্যিক মিগেল দে থের্ভান্তেস পরলোকগমন করেন। তাঁর স্মরণে ১৯২৩ সাল থেকে স্পেনে এই দিনটি পালিত হতো। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেয়। কাকতালীয়ভাবে এই দিনেই বিশ্বসাহিত্যের আরও দুই দিকপাল উইলিয়াম শেক্সপিয়র এবং ইনকা গার্সিলাসো দে লা ভেগাও প্রয়াত হন।
সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমন পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ককে সচল রাখতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমারের মতো কঠিন রোগের ঝুঁকি কমাতে দারুণ কার্যকর। এছাড়া বই পড়ার আরও কিছু উল্লেখযোগ্য দিক হলো:
মানসিক প্রশান্তি: বই পড়ার অভ্যাস দ্রুত মানসিক চাপ কমিয়ে মনে প্রশান্তি আনে।
স্মৃতিশক্তি ও কল্পনাশক্তি: এটি মস্তিষ্কের নিউরনকে উদ্দীপিত করে স্মৃতিশক্তি ও কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করে।
সৃজনশীলতা ও সহমর্মিতা: নিয়মিত পাঠক অন্যের আবেগ বুঝতে এবং সৃজনশীলভাবে সমস্যার সমাধান করতে বেশি পারদর্শী হন।
উন্নত ঘুম: ঘুমানোর আগে বই পড়ার অভ্যাস ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।
ডিজিটাল স্ক্রিনের নীল আলোর ব্যস্ততা ছেড়ে আজই হতে পারে প্রিয় কোনো বইয়ের পাতায় ডুব দেওয়ার সেরা সময়। বই শুধু জ্ঞানের উৎসই নয়, এটি মানুষের ভাবনার জগতকে প্রসারিত করে এবং নিঃসঙ্গ সময়ে এক অনন্য বন্ধুর ভূমিকা পালন করে।
























