কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ১১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / 19
দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য কৃষকের কল্যাণকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কৃষকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় অগ্রগতি পূর্ণতা পায় না।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ক এক পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভায় কৃষকদের জন্য পরিকল্পিত এই ডিজিটাল কার্ডের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কৃষকবান্ধব উদ্যোগে সরকারের জোর
সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি কৃষি খাত। এই খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছানো জরুরি। তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা যেন সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা সহজে পান—সেটিই সরকারের লক্ষ্য।
এছাড়া মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে কৃষকদের কাছে সরকারি সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দ্রুত ডেটাবেজ ও বাস্তবায়নের নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, অল্প সময়ের মধ্যে নির্ভুল ও সমন্বিত একটি কৃষক ডেটাবেজ তৈরি করে কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সঠিক তথ্যভিত্তিক তালিকা ছাড়া এই উদ্যোগের সুফল পুরোপুরি পাওয়া সম্ভব নয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘কৃষক কার্ড’ চালু হলে কৃষকরা সহজেই কৃষি ঋণ, সেচ সুবিধা, ফসল বিমা এবং সরকারি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান প্রক্রিয়াও আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে।
পাইলট প্রকল্প শিগগিরই
সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে দেশের প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর প্রস্তুতি চলছে। লক্ষ্য রয়েছে, আগামী মৌসুমের আগেই সারা দেশে কৃষকদের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে কৃষি খাতে আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত হবে এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।
























