ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

হাতীবান্ধায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বিএনপি ও জামায়াত সংঘর্ষ, ১৫ জন আহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 2490

ছবি সংগৃহীত

 

লালমনিরহাট-১ আসনের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রোববার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়।

স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের কর্মীর বাড়িতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের "আপস নেই, নির্বাচন হতেই হবে"

সংঘর্ষ চলাকালে ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ঘটনায় চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এই কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, তাদের নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হন। এতে তার দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান দাবি করেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা জানান, “নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”

পাটগ্রামে নির্বাচনি কর্মশালা শেষে ফেরার পথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার এবং লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। তারা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতীবান্ধায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বিএনপি ও জামায়াত সংঘর্ষ, ১৫ জন আহত

আপডেট সময় ১১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

লালমনিরহাট-১ আসনের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রোববার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়।

স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের কর্মীর বাড়িতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

আরও পড়ুন  বিএসএফের গুলিতে লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সংঘর্ষ চলাকালে ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ঘটনায় চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এই কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, তাদের নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হন। এতে তার দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান দাবি করেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা জানান, “নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”

পাটগ্রামে নির্বাচনি কর্মশালা শেষে ফেরার পথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার এবং লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। তারা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।