ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

হাতীবান্ধায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বিএনপি ও জামায়াত সংঘর্ষ, ১৫ জন আহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1552

ছবি সংগৃহীত

 

লালমনিরহাট-১ আসনের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রোববার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়।

স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের কর্মীর বাড়িতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আলোচনায় বিএনপি ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন: দ্বিতীয় দিনের বৈঠক আজ

সংঘর্ষ চলাকালে ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ঘটনায় চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এই কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, তাদের নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হন। এতে তার দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান দাবি করেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা জানান, “নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”

পাটগ্রামে নির্বাচনি কর্মশালা শেষে ফেরার পথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার এবং লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। তারা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতীবান্ধায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বিএনপি ও জামায়াত সংঘর্ষ, ১৫ জন আহত

আপডেট সময় ১১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

লালমনিরহাট-১ আসনের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রোববার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়।

স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজুর কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় জামায়াতের কয়েকজন নারী কর্মী বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধানের কর্মীর বাড়িতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

আরও পড়ুন  সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

সংঘর্ষ চলাকালে ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। ঘটনায় চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এই কারণে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু অভিযোগ করেন, তাদের নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানোর সময় হামলার শিকার হন। এতে তার দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান দাবি করেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লা জানান, “নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।”

পাটগ্রামে নির্বাচনি কর্মশালা শেষে ফেরার পথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার এবং লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। তারা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।