ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 492

ছবি সংগৃহীত

 

নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে ১১ দলীয় জোটে সৃষ্ট সংকট নিরসনে এখনো আশাবাদী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জোটের বৃহত্তম শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও তাদের ফিরিয়ে আনতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, “আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করব। যদি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জোটে না ফেরে, তবে শূন্য থাকা বাকি ৪৭টি আসনে জোটের অন্যান্য শরিকরা প্রার্থী চূড়ান্ত করবে।” তিনি আরও জানান, আজ নির্বাচনী সফর ও নীতিনির্ধারণী বিষয়েও আলোচনা হয়েছে, যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২০ জানুয়ারি জানানো হবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশসহ আরও ১২ দেশের উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ২৫৩টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে লড়বে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি এবং এলডিপি ৭টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে শুক্রবার দুপুরে জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতার’ অভিযোগ তুলে জোট ত্যাগের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

এদিনের বৈঠক থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই মামলাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জোটে ভাঙন ঠেকানো এবং নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল নির্ধারণই ছিল এই জরুরি সভার মূল লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট

আপডেট সময় ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে ১১ দলীয় জোটে সৃষ্ট সংকট নিরসনে এখনো আশাবাদী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জোটের বৃহত্তম শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও তাদের ফিরিয়ে আনতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, “আমরা ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করব। যদি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জোটে না ফেরে, তবে শূন্য থাকা বাকি ৪৭টি আসনে জোটের অন্যান্য শরিকরা প্রার্থী চূড়ান্ত করবে।” তিনি আরও জানান, আজ নির্বাচনী সফর ও নীতিনির্ধারণী বিষয়েও আলোচনা হয়েছে, যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২০ জানুয়ারি জানানো হবে।

আরও পড়ুন  বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি'র তৎপরতায় রাজনীতিতে স্পষ্ট হচ্ছে তিনটি বলয়

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ২৫৩টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে লড়বে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি এবং এলডিপি ৭টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে শুক্রবার দুপুরে জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতার’ অভিযোগ তুলে জোট ত্যাগের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

এদিনের বৈঠক থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই মামলাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জোটে ভাঙন ঠেকানো এবং নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল নির্ধারণই ছিল এই জরুরি সভার মূল লক্ষ্য।