ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 459

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

আরও পড়ুন  আজ সর্বদলীয় ও নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক ডেকেছে ভারত সরকার

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

আরও পড়ুন  জুলাই-আগস্টে রক্তাক্ত সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫০০ জন : চিফ প্রসিকিউটর

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।