০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু সিলেটে তিন বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 32

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

বিজ্ঞাপন

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

বিজ্ঞাপন

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।