ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 2122

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি

আপডেট সময় ১২:১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জার্মানি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি গ্রিনল্যান্ডে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারী সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, “এটি মূলত আর্কটিক অঞ্চল কতটা নিরাপদ—তা মূল্যায়ন এবং ন্যাটো অংশীদারদের সঙ্গে মিলে আমরা সেখানে কীভাবে অবদান রাখতে পারি, সে বিষয়টি দেখার উদ্যোগ।”

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তায় জাপানের সহায়তা, প্রদান করবে পাঁচ টহল নৌযান

এই পরিকল্পনার আওতায় জার্মানি—

– আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো,

– P-8 Poseidon সামুদ্রিক টহল বিমান ব্যবহার,

– সমুদ্র নজরদারির জন্য ফ্রিগেট বা অন্যান্য নৌযান মোতায়েন,

– এবং প্রয়োজনে Eurofighter যুদ্ধবিমান স্থায়ীভাবে অবস্থান করানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় আরও গভীর করা।