১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, জনজীবনে দুর্ভোগ বৃদ্ধি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 39

ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গা জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব বাড়ছে। যদিও সূর্য কেবলমাত্র ফাঁকি দিচ্ছে, তবুও কনকনে ঠান্ডা মানুষকে রীতিমতো কাঁপাচ্ছে। কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সাধারণ জীবনযাত্রায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং নিম্নআয়ের মানুষরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা তখন ৮৭ শতাংশে পৌঁছেছিল। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত দু’দিন ধরে এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

শহরের বিভিন্ন ভ্যান ও রিকশা চালক জানান, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। বাতাস এতটা ঠান্ডা যে রিকশা চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। দামুড়হুদা উপজেলার বাস্তপুর গ্রামের ভ্যান চালক মঞ্জিল আলী বলেন, “গত দু’দিনে মাত্র ২৫০ টাকার ভাড়া হয়েছে। আগের দিনগুলোতে দৈনিক ২৫০–৩৫০ টাকা আয় হতো। এইভাবে চলতে থাকলে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন আরও কঠিন হয়ে যাবে।”

বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহ আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। তাপমাত্রা সাধারণত ৮–১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, জনজীবনে দুর্ভোগ বৃদ্ধি

আপডেট সময় ১১:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব বাড়ছে। যদিও সূর্য কেবলমাত্র ফাঁকি দিচ্ছে, তবুও কনকনে ঠান্ডা মানুষকে রীতিমতো কাঁপাচ্ছে। কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সাধারণ জীবনযাত্রায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং নিম্নআয়ের মানুষরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা তখন ৮৭ শতাংশে পৌঁছেছিল। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত দু’দিন ধরে এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

শহরের বিভিন্ন ভ্যান ও রিকশা চালক জানান, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। বাতাস এতটা ঠান্ডা যে রিকশা চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। দামুড়হুদা উপজেলার বাস্তপুর গ্রামের ভ্যান চালক মঞ্জিল আলী বলেন, “গত দু’দিনে মাত্র ২৫০ টাকার ভাড়া হয়েছে। আগের দিনগুলোতে দৈনিক ২৫০–৩৫০ টাকা আয় হতো। এইভাবে চলতে থাকলে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন আরও কঠিন হয়ে যাবে।”

বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহ আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। তাপমাত্রা সাধারণত ৮–১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।