ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 352

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আরও পড়ুন  এবছর ফিতরার নতুন হার ঘোষণা: সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আরও পড়ুন  ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত হবে, আমানতকারীদের স্বার্থেই কাজ করছি: গভর্নর

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।