ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জুনের সংঘাত নিয়ে ইরানি স্পিকারের মন্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1056

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, গত জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে ইসরাইল কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। দেশের গণমাধ্যম মেহর নিউজের প্রতিবেদনে তার এই মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ জানান, ওই সংঘাতের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—ইরানের শক্তির মূলভিত্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নয়; জনগণের সমর্থনই দেশের প্রকৃত শক্তি। তার ভাষায়, মানুষের হৃদয়-সমর্থন থাকলে ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে, আর বিপরীতে জনসমর্থন না থাকলে সামরিক শক্তিও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।

আরও পড়ুন  অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত

তিনি দাবি করেন, ইরানি জনগণ ও দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কারণে ইসরাইলি নেতৃত্ব এবং তাদের মার্কিন মিত্ররা সেই যুদ্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। গালিবাফের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের ক্ষতির পর সংঘাতের ছয়দিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেছিলেন।

গালিবাফের মতে, ইসরাইল সামরিক আক্রমণ শুরু করলেও ইরান পাল্টা শক্তি দেখিয়ে তাদের সতর্ক করেছে এবং শাস্তি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তা ছাড়া ইসরাইল ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহও টিকে থাকতে পারত না; ওই সমর্থনই তাদের কয়েকদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পরও শত্রুপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে—বিশেষ করে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ও বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে জনগণকে ইসলামী ব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

গালিবাফের বক্তব্যে আরও জোর দেয়া হয় যে, জনগণের ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সমর্থন বজায় রাখা—শত্রুর মোকাবিলায় ইরানের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রধান উপাদান।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জুনের সংঘাত নিয়ে ইরানি স্পিকারের মন্তব্য

আপডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, গত জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে ইসরাইল কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। দেশের গণমাধ্যম মেহর নিউজের প্রতিবেদনে তার এই মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ জানান, ওই সংঘাতের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—ইরানের শক্তির মূলভিত্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নয়; জনগণের সমর্থনই দেশের প্রকৃত শক্তি। তার ভাষায়, মানুষের হৃদয়-সমর্থন থাকলে ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে, আর বিপরীতে জনসমর্থন না থাকলে সামরিক শক্তিও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।

আরও পড়ুন  ই/স/রা/য়ে/লের হামলায় নিহত আরেক ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী

তিনি দাবি করেন, ইরানি জনগণ ও দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কারণে ইসরাইলি নেতৃত্ব এবং তাদের মার্কিন মিত্ররা সেই যুদ্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। গালিবাফের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের ক্ষতির পর সংঘাতের ছয়দিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেছিলেন।

গালিবাফের মতে, ইসরাইল সামরিক আক্রমণ শুরু করলেও ইরান পাল্টা শক্তি দেখিয়ে তাদের সতর্ক করেছে এবং শাস্তি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তা ছাড়া ইসরাইল ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহও টিকে থাকতে পারত না; ওই সমর্থনই তাদের কয়েকদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পরও শত্রুপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে—বিশেষ করে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ও বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে জনগণকে ইসলামী ব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

গালিবাফের বক্তব্যে আরও জোর দেয়া হয় যে, জনগণের ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সমর্থন বজায় রাখা—শত্রুর মোকাবিলায় ইরানের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রধান উপাদান।