০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জুনের সংঘাত নিয়ে ইরানি স্পিকারের মন্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 123

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, গত জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে ইসরাইল কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। দেশের গণমাধ্যম মেহর নিউজের প্রতিবেদনে তার এই মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ জানান, ওই সংঘাতের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—ইরানের শক্তির মূলভিত্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নয়; জনগণের সমর্থনই দেশের প্রকৃত শক্তি। তার ভাষায়, মানুষের হৃদয়-সমর্থন থাকলে ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে, আর বিপরীতে জনসমর্থন না থাকলে সামরিক শক্তিও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি দাবি করেন, ইরানি জনগণ ও দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কারণে ইসরাইলি নেতৃত্ব এবং তাদের মার্কিন মিত্ররা সেই যুদ্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। গালিবাফের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের ক্ষতির পর সংঘাতের ছয়দিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেছিলেন।

গালিবাফের মতে, ইসরাইল সামরিক আক্রমণ শুরু করলেও ইরান পাল্টা শক্তি দেখিয়ে তাদের সতর্ক করেছে এবং শাস্তি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তা ছাড়া ইসরাইল ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহও টিকে থাকতে পারত না; ওই সমর্থনই তাদের কয়েকদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পরও শত্রুপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে—বিশেষ করে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ও বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে জনগণকে ইসলামী ব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

গালিবাফের বক্তব্যে আরও জোর দেয়া হয় যে, জনগণের ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সমর্থন বজায় রাখা—শত্রুর মোকাবিলায় ইরানের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রধান উপাদান।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জুনের সংঘাত নিয়ে ইরানি স্পিকারের মন্তব্য

আপডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, গত জুনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে ইসরাইল কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। দেশের গণমাধ্যম মেহর নিউজের প্রতিবেদনে তার এই মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

ইমাম খোমেনি সমাধিস্থলে বসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে গালিবাফ জানান, ওই সংঘাতের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—ইরানের শক্তির মূলভিত্তি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নয়; জনগণের সমর্থনই দেশের প্রকৃত শক্তি। তার ভাষায়, মানুষের হৃদয়-সমর্থন থাকলে ইরান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে, আর বিপরীতে জনসমর্থন না থাকলে সামরিক শক্তিও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি দাবি করেন, ইরানি জনগণ ও দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কারণে ইসরাইলি নেতৃত্ব এবং তাদের মার্কিন মিত্ররা সেই যুদ্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। গালিবাফের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের ক্ষতির পর সংঘাতের ছয়দিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা করেছিলেন।

গালিবাফের মতে, ইসরাইল সামরিক আক্রমণ শুরু করলেও ইরান পাল্টা শক্তি দেখিয়ে তাদের সতর্ক করেছে এবং শাস্তি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সহায়তা ছাড়া ইসরাইল ইরানের সঙ্গে এক সপ্তাহও টিকে থাকতে পারত না; ওই সমর্থনই তাদের কয়েকদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পরও শত্রুপক্ষ বিভিন্ন উপায়ে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে—বিশেষ করে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ও বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে জনগণকে ইসলামী ব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

গালিবাফের বক্তব্যে আরও জোর দেয়া হয় যে, জনগণের ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও সমর্থন বজায় রাখা—শত্রুর মোকাবিলায় ইরানের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রধান উপাদান।