ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য দেয়া বন্ধ করলো যুক্তরাজ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 531

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্য ক্যারিবিয়ান সাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযানগুলোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

কারণ হিসেবে লন্ডন জানিয়েছে, এসব নৌযানে সাম্প্রতিক মার্কিন মিসাইল হামলাকে তারা আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাজ্যের রুয়ান্ডা মডেল কপি করছে ইইউ — সমালোচনা থেকে সমর্থনে তিন বছরের পথচলা

সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী:

যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক মাসে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে সমুদ্রে চলমান বেশ কিছু ছোট নৌকা ও স্পিডবোটে মিসাইল হামলা চালিয়েছে।

এসব হামলায় মোট ৭৬ জন নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, এগুলো ছিল মাদক চোরাচালানকারী সংগঠনের জলযান, এবং সেগুলো থামানো সম্ভব না হওয়ায় আক্রমণ করা হয়েছে।

তবে যুক্তরাজ্য বলছে,
এই ধরনের সামরিক আক্রমণ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন, কারণ সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক বা আত্মসমর্পণের সুযোগ না দিয়েই প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।

এ কারণে লন্ডন ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি পরিবর্তন না করা পর্যন্ত তারা মাদকবিরোধী অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য দেয়া বন্ধ করলো যুক্তরাজ্য

আপডেট সময় ০৫:০৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

 

যুক্তরাজ্য ক্যারিবিয়ান সাগরে সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযানগুলোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

কারণ হিসেবে লন্ডন জানিয়েছে, এসব নৌযানে সাম্প্রতিক মার্কিন মিসাইল হামলাকে তারা আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছে।

আরও পড়ুন  অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে টিউলিপের পদত্যাগ, যুক্তরাজ্যের ট্রেজারিতে পরিবর্তন

সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী:

যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক মাসে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে সমুদ্রে চলমান বেশ কিছু ছোট নৌকা ও স্পিডবোটে মিসাইল হামলা চালিয়েছে।

এসব হামলায় মোট ৭৬ জন নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, এগুলো ছিল মাদক চোরাচালানকারী সংগঠনের জলযান, এবং সেগুলো থামানো সম্ভব না হওয়ায় আক্রমণ করা হয়েছে।

তবে যুক্তরাজ্য বলছে,
এই ধরনের সামরিক আক্রমণ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন, কারণ সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক বা আত্মসমর্পণের সুযোগ না দিয়েই প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।

এ কারণে লন্ডন ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি পরিবর্তন না করা পর্যন্ত তারা মাদকবিরোধী অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করবে না।