০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

স্থায়ীভাবে পরমাণু রাষ্ট্র ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 244

ছবি সংগৃহীত

 

এখন থেকে স্থায়ীভাবে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত উত্তর কোরিয়া। দেশটির সরকারি গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই মর্যাদা তাদের আইনে ‘অপরিবর্তনীয়’ভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এএফপি জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পরমাণু নিরস্ত্রকরণের দাবি তোলে, তখন উত্তর কোরিয়া তাকে ‘রাজনৈতিক উসকানি’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে। সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানায়, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কোনো আইনি বা নৈতিক ক্ষমতা নেই উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৪ সালেই পিয়ংইয়ং আইএইএ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। উত্তর কোরিয়ার দাবি, ওয়াশিংটন তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে সংস্থাটিকে ব্যবহার করছে।

গত সপ্তাহে পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় দেশটির নেতা কিম জং উন বলেন, উত্তর কোরিয়া একইসঙ্গে পরমাণু বাহিনী ও প্রচলিত সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করার পথে এগিয়ে যাবে।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যর্থ শীর্ষ সম্মেলনের পর থেকে পিয়ংইয়ং বারবার জানিয়ে আসছে, তারা কখনোই তাদের পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ করবে না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থায়ীভাবে পরমাণু রাষ্ট্র ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার

আপডেট সময় ০৫:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

এখন থেকে স্থায়ীভাবে পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত উত্তর কোরিয়া। দেশটির সরকারি গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই মর্যাদা তাদের আইনে ‘অপরিবর্তনীয়’ভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এএফপি জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পরমাণু নিরস্ত্রকরণের দাবি তোলে, তখন উত্তর কোরিয়া তাকে ‘রাজনৈতিক উসকানি’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে। সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানায়, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কোনো আইনি বা নৈতিক ক্ষমতা নেই উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৪ সালেই পিয়ংইয়ং আইএইএ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। উত্তর কোরিয়ার দাবি, ওয়াশিংটন তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে সংস্থাটিকে ব্যবহার করছে।

গত সপ্তাহে পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় দেশটির নেতা কিম জং উন বলেন, উত্তর কোরিয়া একইসঙ্গে পরমাণু বাহিনী ও প্রচলিত সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করার পথে এগিয়ে যাবে।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যর্থ শীর্ষ সম্মেলনের পর থেকে পিয়ংইয়ং বারবার জানিয়ে আসছে, তারা কখনোই তাদের পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ করবে না।