ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হামলার জবাব আরও কঠোর হবে: ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 827

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভবিষ্যতে ইসরায়েল নতুন কোনো হামলা চালালে তার জবাব অতীতের তুলনায় আরও কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা।

আরও পড়ুন  গাজায় ই/স/রা/য়ে/লি স্নাইপার হামলায় সাংবাদিক সাঈদ আবু নাভহান নি'হত

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ইসরায়েল বা তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে যেকোনো আক্রমণের মুখে ইরান ও তার সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ‘আগামীতে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর এবং চূড়ান্ত হবে।’

আজিজি অভিযোগ করেন, গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল একা ছিল না, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ সামরিকভাবে তেল আবিবকে সমর্থন দিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘এই সংঘাতকে কেবল ইরান ও ইসরায়েলের দ্বিপক্ষীয় লড়াই হিসেবে দেখা যাবে না, কারণ এর পেছনে একাধিক দেশের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়ে তাদের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠায়। আজিজির মতে, ‘তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা উপলব্ধি করেছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এক উস্কানিমূলক হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ১২ দিনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হয়। এতে ইরানের সামরিক কমান্ডার, পরমাণু বিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিকসহ অন্তত ১ হাজার ৬৪ জন নিহত হন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রও তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে এ যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়।

এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনাসহ কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায়, যা পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। শেষ পর্যন্ত ২৪ জুন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সফল প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে ইরান এই আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হামলার জবাব আরও কঠোর হবে: ইরান

আপডেট সময় ০১:২২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

ভবিষ্যতে ইসরায়েল নতুন কোনো হামলা চালালে তার জবাব অতীতের তুলনায় আরও কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের ধারণার চেয়ে শক্ত প্রতিরোধ দিচ্ছে ইরান

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ইসরায়েল বা তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে যেকোনো আক্রমণের মুখে ইরান ও তার সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ‘আগামীতে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর এবং চূড়ান্ত হবে।’

আজিজি অভিযোগ করেন, গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল একা ছিল না, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ সামরিকভাবে তেল আবিবকে সমর্থন দিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘এই সংঘাতকে কেবল ইরান ও ইসরায়েলের দ্বিপক্ষীয় লড়াই হিসেবে দেখা যাবে না, কারণ এর পেছনে একাধিক দেশের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়ে তাদের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠায়। আজিজির মতে, ‘তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা উপলব্ধি করেছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এক উস্কানিমূলক হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ১২ দিনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হয়। এতে ইরানের সামরিক কমান্ডার, পরমাণু বিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিকসহ অন্তত ১ হাজার ৬৪ জন নিহত হন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রও তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে এ যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়।

এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনাসহ কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায়, যা পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। শেষ পর্যন্ত ২৪ জুন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সফল প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে ইরান এই আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।