ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হামলার জবাব আরও কঠোর হবে: ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 541

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভবিষ্যতে ইসরায়েল নতুন কোনো হামলা চালালে তার জবাব অতীতের তুলনায় আরও কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা।

আরও পড়ুন  তুরস্কের দেয়া নিষেধাজ্ঞায় ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ইসরায়েল বা তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে যেকোনো আক্রমণের মুখে ইরান ও তার সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ‘আগামীতে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর এবং চূড়ান্ত হবে।’

আজিজি অভিযোগ করেন, গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল একা ছিল না, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ সামরিকভাবে তেল আবিবকে সমর্থন দিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘এই সংঘাতকে কেবল ইরান ও ইসরায়েলের দ্বিপক্ষীয় লড়াই হিসেবে দেখা যাবে না, কারণ এর পেছনে একাধিক দেশের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়ে তাদের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠায়। আজিজির মতে, ‘তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা উপলব্ধি করেছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এক উস্কানিমূলক হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ১২ দিনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হয়। এতে ইরানের সামরিক কমান্ডার, পরমাণু বিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিকসহ অন্তত ১ হাজার ৬৪ জন নিহত হন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রও তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে এ যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়।

এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনাসহ কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায়, যা পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। শেষ পর্যন্ত ২৪ জুন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সফল প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে ইরান এই আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভবিষ্যতে ইসরায়েলি হামলার জবাব আরও কঠোর হবে: ইরান

আপডেট সময় ০১:২২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

ভবিষ্যতে ইসরায়েল নতুন কোনো হামলা চালালে তার জবাব অতীতের তুলনায় আরও কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা।

আরও পড়ুন  ইরান-ইসরাইল সংঘর্ষে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, ট্রাম্পের সতর্ক বার্তা

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ইসরায়েল বা তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে যেকোনো আক্রমণের মুখে ইরান ও তার সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ‘আগামীতে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর এবং চূড়ান্ত হবে।’

আজিজি অভিযোগ করেন, গত জুনে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল একা ছিল না, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ সামরিকভাবে তেল আবিবকে সমর্থন দিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘এই সংঘাতকে কেবল ইরান ও ইসরায়েলের দ্বিপক্ষীয় লড়াই হিসেবে দেখা যাবে না, কারণ এর পেছনে একাধিক দেশের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়ে তাদের দূত স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠায়। আজিজির মতে, ‘তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা উপলব্ধি করেছে।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এক উস্কানিমূলক হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ১২ দিনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হয়। এতে ইরানের সামরিক কমান্ডার, পরমাণু বিজ্ঞানী এবং সাধারণ নাগরিকসহ অন্তত ১ হাজার ৬৪ জন নিহত হন। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রও তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে এ যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়।

এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের কৌশলগত স্থাপনাসহ কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায়, যা পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। শেষ পর্যন্ত ২৪ জুন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সফল প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে ইরান এই আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।