ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অর্থ পাচার রোধে কঠোর বৈশ্বিক আইনি কাঠামোর আহ্বান ইউনূসের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 242

ছবি: সংগৃহীত

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, উন্নত দেশে পাচার হওয়া শত শত কোটি ডলারের অবৈধ সম্পদ ফেরাতে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো তৈরি জরুরি হয়ে পড়েছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. ইউনূস বলেন, “আমরা প্রায়ই জানি এই অর্থ কোথা থেকে আসছে, কিন্তু সেটিকে বৈধ লেনদেন হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।”

আরও পড়ুন  পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নতুন আইন আসছে শিগগিরই: প্রেস সচিব

তিনি আরও জানান, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা দক্ষিণের দেশগুলো থেকে পাচার হওয়া সম্পদ আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এই অর্থ উন্নত দেশ ও করস্বর্গে নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে, যেখানে প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো একে বৈধতা দেয়। তার দাবি, স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকেই প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়ম-কানুনের সমালোচনা করে ইউনূস বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থা লুট করা অর্থ অফশোর দ্বীপপুঞ্জ ও ধনী দেশগুলোতে জমা রাখার পথ সহজ করে দিয়েছে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “চুরি করা সম্পদ উদ্ধারে আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন ও কার্যকর প্রয়োগ অপরিহার্য।”

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা টিআইকে আরও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন এবং বৈশ্বিক ফোরাম গঠনে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

টিআই বাংলাদেশের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান জানান, টিআই বাংলাদেশ

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ পাচার রোধে কঠোর বৈশ্বিক আইনি কাঠামোর আহ্বান ইউনূসের

আপডেট সময় ০৯:৪৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, উন্নত দেশে পাচার হওয়া শত শত কোটি ডলারের অবৈধ সম্পদ ফেরাতে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো তৈরি জরুরি হয়ে পড়েছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. ইউনূস বলেন, “আমরা প্রায়ই জানি এই অর্থ কোথা থেকে আসছে, কিন্তু সেটিকে বৈধ লেনদেন হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।”

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের আমলে ব্যাংকের ৮০ শতাংশ অর্থ পাচার হয়ে গেছে অর্থ উপদেষ্টা

তিনি আরও জানান, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা দক্ষিণের দেশগুলো থেকে পাচার হওয়া সম্পদ আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এই অর্থ উন্নত দেশ ও করস্বর্গে নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছে, যেখানে প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো একে বৈধতা দেয়। তার দাবি, স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকেই প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়ম-কানুনের সমালোচনা করে ইউনূস বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থা লুট করা অর্থ অফশোর দ্বীপপুঞ্জ ও ধনী দেশগুলোতে জমা রাখার পথ সহজ করে দিয়েছে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “চুরি করা সম্পদ উদ্ধারে আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন ও কার্যকর প্রয়োগ অপরিহার্য।”

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা টিআইকে আরও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন এবং বৈশ্বিক ফোরাম গঠনে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

টিআই বাংলাদেশের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান জানান, টিআই বাংলাদেশ