ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বদলীয় বৈঠক

সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণহীন ১২ দলীয় জোট, ১৬ বছরের আন্দোলনের স্বীকৃতি দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 466

ছবি সংগৃহীত

 

১২-দলীয় জোট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রকে শুধু ৩৬ দিনের নয়, বিগত ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগের স্বীকৃতি দাবি করেছে। তারা মনে করে, এটি কোনো ‘প্রোক্লেমেশন’ নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের একটি ‘ডিক্লারেশন’ আকারে আসা উচিত।

বৃহস্পতিবার পুরানা পল্টনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি জানান, সর্বদলীয় বৈঠক নিয়ে কোনো বার্তা না পেয়ে তারা হতাশ।

আরও পড়ুন  রাজনীতির কেন্দ্র সংসদ হওয়া উচিত : তথ্যমন্ত্রীর

এহসানুল হুদা আরও বলেন, ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে ঘোষণাপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সরকার তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে। তবে ৩০ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে একটি ঘোষণাপত্র তৈরির পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

জোটের দাবি, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই এই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করা উচিত। দীর্ঘ ১৬ বছরের ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি উপেক্ষা তাদের গভীরভাবে আহত করেছে।

জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ৩৬ দিনের আন্দোলন হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে না পারলেও এটি ১৫ বছরের সংগ্রামের ফসল। তিনি সরকারের প্রতি ঐক্য রক্ষায় সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

সর্বদলীয় বৈঠক

সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণহীন ১২ দলীয় জোট, ১৬ বছরের আন্দোলনের স্বীকৃতি দাবি

আপডেট সময় ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

 

১২-দলীয় জোট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রকে শুধু ৩৬ দিনের নয়, বিগত ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগের স্বীকৃতি দাবি করেছে। তারা মনে করে, এটি কোনো ‘প্রোক্লেমেশন’ নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের একটি ‘ডিক্লারেশন’ আকারে আসা উচিত।

বৃহস্পতিবার পুরানা পল্টনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি জানান, সর্বদলীয় বৈঠক নিয়ে কোনো বার্তা না পেয়ে তারা হতাশ।

আরও পড়ুন  আজ প্রধান উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে সর্বদলীয় বৈঠক

এহসানুল হুদা আরও বলেন, ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে ঘোষণাপত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সরকার তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে। তবে ৩০ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে একটি ঘোষণাপত্র তৈরির পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

জোটের দাবি, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই এই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করা উচিত। দীর্ঘ ১৬ বছরের ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি উপেক্ষা তাদের গভীরভাবে আহত করেছে।

জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ৩৬ দিনের আন্দোলন হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে না পারলেও এটি ১৫ বছরের সংগ্রামের ফসল। তিনি সরকারের প্রতি ঐক্য রক্ষায় সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।