ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন আটক, মামলা প্রস্তুতিতে পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 625

ছবি সংগৃহীত

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত জুলাই মাসের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে ওসি সাজেদুর রহমান জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গত রাত তিনটার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে আটক ১৪ জনকে থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ বা বিঘ্নিত হয়নি: প্রেস উইং

বুধবার দিনভর এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে।

এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন এবং অন্তত নয়জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ রাতেই শহরে কারফিউ জারি করে, যা আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

রাতভর আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় কাটে গোপালগঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের। আজ সকালেও শহরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সড়ক ও বাজারে লোকজনের আনাগোনা বাড়তে দেখা গেছে। শহরের রাস্তাগুলোতে পড়ে থাকা ইট, বাঁশ ও কাঠের টুকরা সরাতে সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক এই সহিংসতার ঘটনায় শহরের জনগণের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন আটক, মামলা প্রস্তুতিতে পুলিশ

আপডেট সময় ১২:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত জুলাই মাসের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মো. সাজেদুর রহমান।

আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে ওসি সাজেদুর রহমান জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। গত রাত তিনটার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে আটক ১৪ জনকে থানায় হস্তান্তর করে। বর্তমানে শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কবরস্থানের ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩০ জন

বুধবার দিনভর এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে।

এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন এবং অন্তত নয়জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ রাতেই শহরে কারফিউ জারি করে, যা আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

রাতভর আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় কাটে গোপালগঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের। আজ সকালেও শহরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। সড়ক ও বাজারে লোকজনের আনাগোনা বাড়তে দেখা গেছে। শহরের রাস্তাগুলোতে পড়ে থাকা ইট, বাঁশ ও কাঠের টুকরা সরাতে সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক এই সহিংসতার ঘটনায় শহরের জনগণের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।