ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি নান্নু গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 795

ছবি সংগৃহীত

 

পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে হত্যা করা ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নান্নুকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাত ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আরও পড়ুন  হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে একদল লোক সোহাগকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এরপর বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহাগ একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন তিনি।

তার ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সোহানা ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং ১১ বছর বয়সী ছেলে সোহান চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

এদিকে, প্রকাশ্যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘিরে রাজধানীবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যবসায়িক বিরোধ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে।

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারির পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করছে। সোহাগ হত্যা মামলাটি এখন গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি নান্নু গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১২:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে হত্যা করা ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নান্নুকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাত ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে একদল লোক সোহাগকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এরপর বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহাগ একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন তিনি।

তার ১৪ বছর বয়সী মেয়ে সোহানা ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং ১১ বছর বয়সী ছেলে সোহান চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

এদিকে, প্রকাশ্যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘিরে রাজধানীবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যবসায়িক বিরোধ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত কারণ উদঘাটন হবে।

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারির পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করছে। সোহাগ হত্যা মামলাটি এখন গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।