ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪০৬ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 306

ছবি সংগৃহীত

 

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ৫২ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৬ জন। বুধবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। এছাড়া গত একদিনে সর্বাধিক সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছেন বরিশাল বিভাগে, যেখানে একদিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।

আরও পড়ুন  একদিনে ডেঙ্গুতে ১২ জনের মৃত্যু

এছাড়া বিভাগভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তির চিত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, ঢাকা বিভাগে ৬৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৬ জন, খুলনা বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩১ জন, রংপুর বিভাগে ৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫২-তে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মোট ২১ জন। বরিশাল বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫ জন, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ৪ জন করে ৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ জন এবং ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে একজন করে মোট ২ জন ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সামাজিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪০৬ জন

আপডেট সময় ০৮:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ৫২ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৬ জন। বুধবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। এছাড়া গত একদিনে সর্বাধিক সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছেন বরিশাল বিভাগে, যেখানে একদিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করনীয় ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা

এছাড়া বিভাগভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তির চিত্র অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, ঢাকা বিভাগে ৬৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৬ জন, খুলনা বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩১ জন, রংপুর বিভাগে ৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫২-তে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মোট ২১ জন। বরিশাল বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫ জন, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ৪ জন করে ৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ জন এবং ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে একজন করে মোট ২ জন ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সামাজিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।