ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়: শিক্ষা উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 519

ছবি সংগৃহীত

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, “শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়। নিজেদের দাবি-দাওয়া অবশ্যই থাকতে পারে, কিন্তু কোনোভাবেই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা যাবে না। পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়, এজন্য সময় লাগবে।”

রবিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  কঠিন সময়ের মধ্যেও শিক্ষা ও শক্তি খুঁজে পাওয়ার উপায়

অধ্যাপক আবরার শিক্ষার্থীদের স্মরণ করিয়ে দেন, তাদের সাফল্যে সমাজের অন্যান্য গোষ্ঠীরও অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, “তোমরা নিঃসন্দেহে অনেক কিছু অর্জন করেছ, কিন্তু এই অর্জনে সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবী জনগণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সমর্থন ছাড়া এই আন্দোলন এগিয়ে নেয়া সম্ভব হতো না। তাই কোনো আন্দোলনের কারণে তাদের কষ্ট যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারিনি। ফলে অনেকেই মনে করছে রাজনৈতিক সরকার আসার আগেই তাদের দাবি পূরণ করতে হবে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, পরিবর্তন একদিনে হয় না। আমাদের সম্পদ সীমিত, তাই সময় নিয়ে হলেও রাজনৈতিক সরকারের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে।”

শিক্ষক রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক আবরার বলেন, “আমাদের শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। অবশ্যই রাজনৈতিক বিশ্বাস থাকবে, রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন থাকবে, কিন্তু কোনো নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করতে দেয়া যাবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মেধা বিকাশের জায়গা। তাই রাজনৈতিক প্রভাব যেন শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে বিনষ্ট না করে, সেদিকে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে।”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব। এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মতিয়ার রহমানসহ অন্যান্যরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়: শিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, “শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়। নিজেদের দাবি-দাওয়া অবশ্যই থাকতে পারে, কিন্তু কোনোভাবেই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা যাবে না। পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়, এজন্য সময় লাগবে।”

রবিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  আগামী ১০ জুলাই প্রকাশিত হবে এসএসসি ও সমমানের ফলাফল

অধ্যাপক আবরার শিক্ষার্থীদের স্মরণ করিয়ে দেন, তাদের সাফল্যে সমাজের অন্যান্য গোষ্ঠীরও অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, “তোমরা নিঃসন্দেহে অনেক কিছু অর্জন করেছ, কিন্তু এই অর্জনে সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবী জনগণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সমর্থন ছাড়া এই আন্দোলন এগিয়ে নেয়া সম্ভব হতো না। তাই কোনো আন্দোলনের কারণে তাদের কষ্ট যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারিনি। ফলে অনেকেই মনে করছে রাজনৈতিক সরকার আসার আগেই তাদের দাবি পূরণ করতে হবে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, পরিবর্তন একদিনে হয় না। আমাদের সম্পদ সীমিত, তাই সময় নিয়ে হলেও রাজনৈতিক সরকারের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে।”

শিক্ষক রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক আবরার বলেন, “আমাদের শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। অবশ্যই রাজনৈতিক বিশ্বাস থাকবে, রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন থাকবে, কিন্তু কোনো নেতিবাচক রাজনৈতিক প্রভাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করতে দেয়া যাবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মেধা বিকাশের জায়গা। তাই রাজনৈতিক প্রভাব যেন শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে বিনষ্ট না করে, সেদিকে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে।”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব। এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মতিয়ার রহমানসহ অন্যান্যরা।