ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ভেনিজুয়েলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 458

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ভেনিজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় আইনপ্রণেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভেনিজুয়েলার মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন ভলকার তুর্ক। তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং গুমের ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পার্লামেন্ট মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক সভায় সর্বসম্মতভাবে তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে

পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জর্জ রদ্রিগেজ জানান, তুর্ক যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘চোখ বন্ধ’ রাখছেন। তিনি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের এল সালভাদরের একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে গত মে মাসে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুর্ক বিবৃতি দিয়েছিলেন।

ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে। গত জুলাইয়ের বিতর্কিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের মন্তব্য ভেনিজুয়েলার সরকারের ক্ষোভকে আরও উসকে দেয়।

তবে ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে তার ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভেনিজুয়েলা সরকার ভবিষ্যতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হাইকমিশন বরাবরই ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার। দেশটিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলে আসছে। তুর্কের সমালোচনাও তারই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভেনিজুয়েলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ভেনিজুয়েলা। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় আইনপ্রণেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভেনিজুয়েলার মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন ভলকার তুর্ক। তিনি বলেন, ভেনিজুয়েলায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং গুমের ঘটনা ঘটছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটির পার্লামেন্ট মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক সভায় সর্বসম্মতভাবে তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে

পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জর্জ রদ্রিগেজ জানান, তুর্ক যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘চোখ বন্ধ’ রাখছেন। তিনি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের এল সালভাদরের একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে গত মে মাসে উদ্বেগ প্রকাশ করে তুর্ক বিবৃতি দিয়েছিলেন।

ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে। গত জুলাইয়ের বিতর্কিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের মন্তব্য ভেনিজুয়েলার সরকারের ক্ষোভকে আরও উসকে দেয়।

তবে ভলকার তুর্ককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পরও তাৎক্ষণিকভাবে তার ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভেনিজুয়েলা সরকার ভবিষ্যতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের হাইকমিশন বরাবরই ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার। দেশটিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলে আসছে। তুর্কের সমালোচনাও তারই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ভেনিজুয়েলার পার্লামেন্টের এমন সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।