ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৯০ হাজার ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 513

ছবি সংগৃহীত

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে। পৃথক দুটি অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

বিজিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (৩০ জুন) গভীর রাতে ২ বিজিবির অধিনায়ক গোপন সূত্রে খবর পান যে মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। খবর পেয়ে বিজিবি নাফ নদী, তীরবর্তী এলাকা এবং মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করে।

পরে মঙ্গলবার (১ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকায় এক গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় দুজনকে আটক করে বিজিবি। আটককৃতরা হলেন আলীর ডেইল এলাকার বাসিন্দা মিনারা বেগম (৩৫) ও মো. কেফায়েত উল্লাহ (১৯)।

একইদিন টেকনাফের খুরেরমুখ এলাকায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় জমিলা বেগম (৫০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। জানা যায়, তার বাড়ির মুরগির খামারে এসব গাঁজা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

আটকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জনস্বার্থে আমাদের এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চালিয়ে আসছে। তবে প্রায়ই নতুন নতুন পদ্ধতিতে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। সীমান্ত এলাকার মানুষকে মাদকবিরোধী সচেতনতায় অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে বিজিবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৯০ হাজার ইয়াবা ও ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

আপডেট সময় ১০:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে। পৃথক দুটি অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  টেকনাফের গহীন পাহাড়ে বিজিবির অভিযান: অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

বিজিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (৩০ জুন) গভীর রাতে ২ বিজিবির অধিনায়ক গোপন সূত্রে খবর পান যে মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। খবর পেয়ে বিজিবি নাফ নদী, তীরবর্তী এলাকা এবং মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সৈকতে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করে।

পরে মঙ্গলবার (১ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকায় এক গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় দুজনকে আটক করে বিজিবি। আটককৃতরা হলেন আলীর ডেইল এলাকার বাসিন্দা মিনারা বেগম (৩৫) ও মো. কেফায়েত উল্লাহ (১৯)।

একইদিন টেকনাফের খুরেরমুখ এলাকায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় জমিলা বেগম (৫০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। জানা যায়, তার বাড়ির মুরগির খামারে এসব গাঁজা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

আটকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জনস্বার্থে আমাদের এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চালিয়ে আসছে। তবে প্রায়ই নতুন নতুন পদ্ধতিতে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। সীমান্ত এলাকার মানুষকে মাদকবিরোধী সচেতনতায় অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে বিজিবি।