ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 452

ছবি সংগৃহীত

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৮

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন  বিয়েবাড়িতে গরুর মাংস কম দেওয়ায় সংঘর্ষ, বরসহ আহত ২০

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেরদিয়া গ্রামের নুরইসলাম মুন্সী ও সালাউদ্দিন কাজীর মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে নুরইসলামের সমর্থক মো. জিলু মোল্যাকে মারধর করে সালাউদ্দিন কাজীর অনুসারীরা। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বিনোকদিয়া বাজারের কাছে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করে নুরইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন।

এরই জের ধরে রবিবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় অন্তত পাঁচটি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।