ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

এনবিআর চাকরি অত্যাবশ্যকীয় সেবা, অবহেলা করলে কঠোর পদক্ষেপ: সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 485

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সব শ্রেণির চাকরিকে অত্যাবশ্যকীয় সেবা হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আজ রোববার এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে সরকার বলেছে, দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অতি জরুরি আমদানি-রপ্তানি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের কার্যক্রম সচল রাখতে কাস্টম হাউস, আইসিডি, বন্ড কমিশনারেট ও শুল্ক স্টেশনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অত্যাবশ্যকীয় সেবার আওতায় আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

সরকার আশা প্রকাশ করেছে, আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কর্মস্থলে ফিরে আসবেন এবং আইনবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন। অন্যথায় সরকার জনগণ ও অর্থনীতির স্বার্থে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজেট বাস্তবায়নে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো দুর্বল রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থা। প্রয়োজনের তুলনায় রাজস্ব সংগ্রহ অনেক কম, যার পেছনে রয়েছে নানা দুর্বলতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ প্রেক্ষিতে এনবিআর পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সকল অংশীজনের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার বাধাগ্রস্ত করতে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী গত দুই মাস ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং রাজস্ব কার্যক্রম অচল করে রেখেছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকার সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী হিসেবে দেখছে।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, অর্থবছরের শেষের দুই মাসে রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে চরম ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছে, যা পরিকল্পিত এবং দূরভিসন্ধিমূলক। সরকার আলোচনার মাধ্যমে দাবি সমাধানের আহ্বান জানিয়েও সাড়া পায়নি। এর পরিবর্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনমনীয় অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করছে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে রাজধানীর এনবিআর ভবন থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বেনাপোল ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর এবং দেশের সকল কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে শুল্কায়নসহ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সরকার পুনরায় সকলকে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে দ্রুত কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থে এনবিআর সংস্কার বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা জানিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এনবিআর চাকরি অত্যাবশ্যকীয় সেবা, অবহেলা করলে কঠোর পদক্ষেপ: সরকার

আপডেট সময় ০৬:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সব শ্রেণির চাকরিকে অত্যাবশ্যকীয় সেবা হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আজ রোববার এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে সরকার বলেছে, দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অতি জরুরি আমদানি-রপ্তানি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের কার্যক্রম সচল রাখতে কাস্টম হাউস, আইসিডি, বন্ড কমিশনারেট ও শুল্ক স্টেশনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অত্যাবশ্যকীয় সেবার আওতায় আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সেনাবাহিনীর সঙ্গে সরকারের কোনো বিরোধ নেই

সরকার আশা প্রকাশ করেছে, আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কর্মস্থলে ফিরে আসবেন এবং আইনবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবেন। অন্যথায় সরকার জনগণ ও অর্থনীতির স্বার্থে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজেট বাস্তবায়নে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো দুর্বল রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থা। প্রয়োজনের তুলনায় রাজস্ব সংগ্রহ অনেক কম, যার পেছনে রয়েছে নানা দুর্বলতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ প্রেক্ষিতে এনবিআর পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে সকল অংশীজনের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার বাধাগ্রস্ত করতে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী গত দুই মাস ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং রাজস্ব কার্যক্রম অচল করে রেখেছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকার সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী হিসেবে দেখছে।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, অর্থবছরের শেষের দুই মাসে রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে চরম ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছে, যা পরিকল্পিত এবং দূরভিসন্ধিমূলক। সরকার আলোচনার মাধ্যমে দাবি সমাধানের আহ্বান জানিয়েও সাড়া পায়নি। এর পরিবর্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনমনীয় অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করছে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে রাজধানীর এনবিআর ভবন থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বেনাপোল ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর এবং দেশের সকল কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে শুল্কায়নসহ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সরকার পুনরায় সকলকে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে দ্রুত কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থে এনবিআর সংস্কার বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা জানিয়েছে।