ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইরাকের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন হামলা, নিরাপত্তা জোরদার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 466

ছবি সংগৃহীত

 

ইরাকের তিনটি সামরিক স্থাপনায় অজ্ঞাত ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, এসব হামলায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ এক সামরিক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, রাজধানী বাগদাদের উত্তরে তাজি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) হামলার এ তথ্য জানায় আল-জাজিরা। একই দিনে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন  রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলার তীব্রতা, দুই পক্ষেই হতাহত

আল সুমারিয়া টিভি জানিয়েছে, ইরাকের ধি কার প্রদেশের ইমাম আলি সামরিক ঘাঁটির রাডার সিস্টেম ছিল হামলার মূল লক্ষ্য। ঘাঁটিটি নাসিরিয়া শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। হামলার পেছনে কে বা কারা রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষ দায় স্বীকার করেনি।

অন্যদিকে কুর্দিস্তান ২৪-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাগদাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত সালাহউদ্দিন প্রদেশের বালাদ সামরিক ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ইরানের তাসনিম বার্তাসংস্থা জানায়, ঘাঁটির ভেতরে দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। উল্লেখ্য, এটি একসময় ইরাকে মার্কিন বাহিনীর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি ছিল।

তাসনিম নিউজ আরও জানায়, বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটস্থ ভিক্টরি বেজ কমপ্লেক্সেও একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। এই ঘাঁটিটিও অতীতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ছিল।

সব মিলিয়ে, একদিনে একাধিক ঘাঁটিতে এমন ড্রোন হামলা ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে দেশটির সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরাকের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন হামলা, নিরাপত্তা জোরদার

আপডেট সময় ১১:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

ইরাকের তিনটি সামরিক স্থাপনায় অজ্ঞাত ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা আল-জাজিরার বরাতে জানা যায়, এসব হামলায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ এক সামরিক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, রাজধানী বাগদাদের উত্তরে তাজি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) হামলার এ তথ্য জানায় আল-জাজিরা। একই দিনে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের বন্দরে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, শান্তিচুক্তির মাঝেও উত্তেজনা তুঙ্গে

আল সুমারিয়া টিভি জানিয়েছে, ইরাকের ধি কার প্রদেশের ইমাম আলি সামরিক ঘাঁটির রাডার সিস্টেম ছিল হামলার মূল লক্ষ্য। ঘাঁটিটি নাসিরিয়া শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। হামলার পেছনে কে বা কারা রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষ দায় স্বীকার করেনি।

অন্যদিকে কুর্দিস্তান ২৪-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাগদাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত সালাহউদ্দিন প্রদেশের বালাদ সামরিক ঘাঁটিতেও ড্রোন হামলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ইরানের তাসনিম বার্তাসংস্থা জানায়, ঘাঁটির ভেতরে দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। উল্লেখ্য, এটি একসময় ইরাকে মার্কিন বাহিনীর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি ছিল।

তাসনিম নিউজ আরও জানায়, বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটস্থ ভিক্টরি বেজ কমপ্লেক্সেও একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। এই ঘাঁটিটিও অতীতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ছিল।

সব মিলিয়ে, একদিনে একাধিক ঘাঁটিতে এমন ড্রোন হামলা ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে দেশটির সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা ঘটনার তদন্তে নেমেছে।