ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিতর্কিত ৩ নির্বাচনের তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 173

ছবি সংগৃহীত

 

বিতর্কিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পেছনে সংশ্লিষ্ট সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তৎকালীন সচিবদের ভূমিকা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ জুন) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

বৈঠকে কমিশনের সদস্যরা জুলাই মাসে প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, “বেশ কয়েকটি বিষয়ে ইতোমধ্যে ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। অচিরেই সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষ করে আমরা সনদ চূড়ান্ত করতে পারবো।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, “পুরো জাতি জুলাই সনদের অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী জুলাই মাসেই এটি জনসমক্ষে তুলে ধরতে পারবো।”

বৈঠকে লন্ডন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা জানান, সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সংস্কার বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রায় সবাই জানতে চেয়েছে নির্বাচন নিয়ে কী ধরনের সংস্কার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও আলোচনা করেছে, মতামত দিয়েছে। তারা জানতে চায় আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবে কি না।”

তিনি আরও বলেন, “প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পোস্টাল ব্যালটসহ অন্যান্য সম্ভাব্য মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করে কার্যকর পদ্ধতি বের করতে হবে।”

বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংস্কার বিষয়ক উপকমিটির প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “সকল রাজনৈতিক দল একমত যে, অতীতের তিনটি বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়টি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিতর্কিত ৩ নির্বাচনের তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় ১২:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

 

বিতর্কিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পেছনে সংশ্লিষ্ট সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তৎকালীন সচিবদের ভূমিকা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ জুন) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  লন্ডনে তারেক রহমান-ড. ইউনূস বৈঠকে নির্দিষ্ট এজেন্ডা নেই: প্রেস সচিব

বৈঠকে কমিশনের সদস্যরা জুলাই মাসে প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, “বেশ কয়েকটি বিষয়ে ইতোমধ্যে ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। অচিরেই সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শেষ করে আমরা সনদ চূড়ান্ত করতে পারবো।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, “পুরো জাতি জুলাই সনদের অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী জুলাই মাসেই এটি জনসমক্ষে তুলে ধরতে পারবো।”

বৈঠকে লন্ডন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা জানান, সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সংস্কার বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রায় সবাই জানতে চেয়েছে নির্বাচন নিয়ে কী ধরনের সংস্কার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও আলোচনা করেছে, মতামত দিয়েছে। তারা জানতে চায় আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবে কি না।”

তিনি আরও বলেন, “প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পোস্টাল ব্যালটসহ অন্যান্য সম্ভাব্য মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করে কার্যকর পদ্ধতি বের করতে হবে।”

বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংস্কার বিষয়ক উপকমিটির প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “সকল রাজনৈতিক দল একমত যে, অতীতের তিনটি বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়টি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”