ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ফিরতি যাত্রায় ভাড়ায় নৈরাজ্যর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 555

ছবি: সংগৃহীত

 

ঈদ-পরবর্তী সময় রাজধানীতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর সক্রিয় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বিএনএস সেন্টারের পাশে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ও ট্রাফিক পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ।

আরও পড়ুন  নৌ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৪০১, উদ্ধার ৭টি মৃতদেহ

অভিযানে হেলমেট ও লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এ প্রয়াস।”

এদিকে একই রাতে রাজধানীর শ্যামপুরের দয়াগঞ্জ এলাকায় যৌথ বাহিনী মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানা বিএনপির কার্যকরী সদস্য শুক্কুর আলীসহ চারজনকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকারীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিত এ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা, ৩ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ৬০ হাজার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুক্কুর আলীর সঙ্গে আরও তিন সহযোগী ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক নির্মূলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ধরনের অভিযান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিরতি যাত্রায় ভাড়ায় নৈরাজ্যর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী

আপডেট সময় ১১:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

ঈদ-পরবর্তী সময় রাজধানীতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর সক্রিয় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বিএনএস সেন্টারের পাশে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ও ট্রাফিক পুলিশ। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প এবং উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ।

আরও পড়ুন  নাটোরের বনপাড়ায় সেনা অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার।

অভিযানে হেলমেট ও লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমাদের এ প্রয়াস।”

এদিকে একই রাতে রাজধানীর শ্যামপুরের দয়াগঞ্জ এলাকায় যৌথ বাহিনী মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানা বিএনপির কার্যকরী সদস্য শুক্কুর আলীসহ চারজনকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকারীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিত এ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা, ৩ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ৬০ হাজার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুক্কুর আলীর সঙ্গে আরও তিন সহযোগী ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক নির্মূলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

এ ধরনের অভিযান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।