ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বন্যার জলে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন, বিপাকে কুড়িগ্রামের চরবাসীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 409

ছবি সংগৃহীত

 

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে কুড়িগ্রামে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। হঠাৎ করে পানি বাড়ায় তলিয়ে গেছে বহু ফসলি জমি। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। ইতোমধ্যে বাদাম, পাট, পটল, তিল, কাউনসহ মৌসুমি সবজির জমি পানিতে ডুবে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

চরের কৃষকদের এখন দুশ্চিন্তার যেন শেষ নেই। বৃষ্টির পানি ও ঢলে জমির ফসল তলিয়ে গেছে। হাতে কোনো বিকল্প নেই, চোখে-মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। ফসল রক্ষায় কিছুই করতে পারেননি তারা।

আরও পড়ুন  সোমালিয়ায় আকস্মিক বন্যায় শিশুসহ ৭ জনের মৃত্যু, পানিবন্দি ২০০ পরিবার

একজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জানান, “পাহাড়ি ঢল আসার আগেই জমিতে বাদাম আর পটল চাষ করেছিলাম। ভালো ফলনের আশা ছিল। কিন্তু কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সব শেষ।” আরেক কৃষক বলেন, “টানা বৃষ্টি আর নদীর পানি বাড়ায় পুরো জমি এখন পানির নিচে। কীভাবে চলবো, ভেবে পাচ্ছি না।”

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ বা جزিভাবে নষ্ট হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহকারী উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান বলেন, “পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। তালিকা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা প্রদান করা হবে। আমরা কৃষকদের পাশে আছি।”

জেলার কৃষকরা দ্রুত সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদে ফিরে যেতে পারেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, নিয়মিত নদী শাসন এবং পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হয় কৃষকদের। সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্যার জলে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন, বিপাকে কুড়িগ্রামের চরবাসীরা

আপডেট সময় ১০:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে কুড়িগ্রামে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। হঠাৎ করে পানি বাড়ায় তলিয়ে গেছে বহু ফসলি জমি। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। ইতোমধ্যে বাদাম, পাট, পটল, তিল, কাউনসহ মৌসুমি সবজির জমি পানিতে ডুবে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

চরের কৃষকদের এখন দুশ্চিন্তার যেন শেষ নেই। বৃষ্টির পানি ও ঢলে জমির ফসল তলিয়ে গেছে। হাতে কোনো বিকল্প নেই, চোখে-মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। ফসল রক্ষায় কিছুই করতে পারেননি তারা।

আরও পড়ুন  সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামে বাবার লাশ দাফন

একজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জানান, “পাহাড়ি ঢল আসার আগেই জমিতে বাদাম আর পটল চাষ করেছিলাম। ভালো ফলনের আশা ছিল। কিন্তু কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সব শেষ।” আরেক কৃষক বলেন, “টানা বৃষ্টি আর নদীর পানি বাড়ায় পুরো জমি এখন পানির নিচে। কীভাবে চলবো, ভেবে পাচ্ছি না।”

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ বা جزিভাবে নষ্ট হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহকারী উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান বলেন, “পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। তালিকা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা প্রদান করা হবে। আমরা কৃষকদের পাশে আছি।”

জেলার কৃষকরা দ্রুত সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদে ফিরে যেতে পারেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, নিয়মিত নদী শাসন এবং পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হয় কৃষকদের। সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।