ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নগদের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ৬৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 429

ছবি সংগৃহীত

 

 

মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করে ই-মানি ইস্যুর মাধ্যমে ৬৪৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

বুধবার (৪ জুন) দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস পরিচালনার সময় সরকারি বিপুল অর্থ ‘ফিজিক্যাল মানি’ হিসেবে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেন। মিথ্যা রিপোর্ট ও ই-মানি জালিয়াতির মাধ্যমে এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদ মিশুক, নির্বাহী পরিচালক মো. শাফায়েত আলম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও নমিনি পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল হক, সিনিয়র ম্যানেজার (ট্রেজারি বিভাগ) ও নমিনি পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক, চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) মো. আবু রায়হান, হেড অব ফাইন্যান্স অপারেশনস মো. রাকিবুল ইসলাম, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার (সিএফও) আফজাল আহমেদ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব উদ্দিন চৌধুরী এবং হেড অব বিজনেস ইন্টেলিজেন্স গোলাম মর্তুজা চৌধুরী।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সরকারি অর্থের জবাবদিহিতাহীন ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতার অভাবে চুক্তিভিত্তিক সেবার সুযোগ নিয়ে আসামিরা মিথ্যা আর্থিক তথ্য উপস্থাপন করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এতে সরকারের রাজস্ব ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ঘটনায় দুদক আইন অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারিক কার্যক্রম শুরুর প্রক্রিয়াও চলমান বলে জানিয়েছে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র।

এই মামলা দেশের অন্যতম আলোচিত দুর্নীতির ঘটনায় পরিণত হয়েছে, যা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল খাতে নজিরবিহীন আর্থিক কেলেঙ্কারি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নগদের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ৬৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

আপডেট সময় ০৭:৩১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করে ই-মানি ইস্যুর মাধ্যমে ৬৪৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন  রংপুরের মিঠাপুকুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত রুহুল কারাগারে

বুধবার (৪ জুন) দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস পরিচালনার সময় সরকারি বিপুল অর্থ ‘ফিজিক্যাল মানি’ হিসেবে উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেন। মিথ্যা রিপোর্ট ও ই-মানি জালিয়াতির মাধ্যমে এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদ মিশুক, নির্বাহী পরিচালক মো. শাফায়েত আলম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও নমিনি পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল হক, সিনিয়র ম্যানেজার (ট্রেজারি বিভাগ) ও নমিনি পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক, চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) মো. আবু রায়হান, হেড অব ফাইন্যান্স অপারেশনস মো. রাকিবুল ইসলাম, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার (সিএফও) আফজাল আহমেদ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব উদ্দিন চৌধুরী এবং হেড অব বিজনেস ইন্টেলিজেন্স গোলাম মর্তুজা চৌধুরী।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সরকারি অর্থের জবাবদিহিতাহীন ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতার অভাবে চুক্তিভিত্তিক সেবার সুযোগ নিয়ে আসামিরা মিথ্যা আর্থিক তথ্য উপস্থাপন করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এতে সরকারের রাজস্ব ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ঘটনায় দুদক আইন অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারিক কার্যক্রম শুরুর প্রক্রিয়াও চলমান বলে জানিয়েছে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র।

এই মামলা দেশের অন্যতম আলোচিত দুর্নীতির ঘটনায় পরিণত হয়েছে, যা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল খাতে নজিরবিহীন আর্থিক কেলেঙ্কারি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।