ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টিউলিপ সিদ্দিকের আয়কর ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত নথি জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 651

ছবি সংগৃহীত

 

ব্রিটেনের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ তদন্তের অংশ হিসেবে তার আয়কর সংক্রান্ত নথি এবং একটি ফ্ল্যাটের কাগজপত্র জব্দ করেছে সংস্থাটি।

গত বুধবার (৩ জুন) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকার কর অঞ্চল-৬ এবং রাজউক অফিস থেকে এসব নথি সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, আয়কর নথিতে ২০০৬-০৭ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত টিউলিপ সিদ্দিকের রিটার্ন দাখিলের তথ্য রয়েছে। ওই নথিতে উল্লেখ রয়েছে, তিনি ‘এডভান্স টাওয়ার্ডস ডেভেলপারস’-এর নামে ৫ লাখ টাকা প্রদর্শন করেছেন।

আরও পড়ুন  আগাম রিটার্নে করছাড়, দেরি হলে জরিমানার বিধান করছে এনবিআর

এছাড়া রাজউকের নথিপত্রে শ্যামলী রিং রোডের জনতা হাউজিং সোসাইটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের নামে একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গুলশান এলাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের পর সেটি তিনি তার ছোট বোন আজমিনা সিদ্দিককে হেবা করেন।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর থেকে তিনি আর কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি বলে নথিতে দেখা গেছে। যা বাংলাদেশের একজন করদাতা হিসেবে তার দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে।

এদিকে, তার মালিকানাধীন সম্পদ ও অর্থের উৎস নিয়ে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করতে যাচ্ছে দুদক। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, জালিয়াতির অভিযোগ এবং বিদেশি নাগরিক হিসেবে করফাঁকির মতো গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ব্রিটেনের পার্লামেন্টে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাই শেখ রেহানার মেয়ে।

দুদকের এ উদ্যোগের ফলে উচ্চপর্যায়ের প্রভাবশালী পরিবার থেকে আসা কারও বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি আবারো আলোচনায় এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টিউলিপ সিদ্দিকের আয়কর ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত নথি জব্দ

আপডেট সময় ০১:০০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

ব্রিটেনের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ তদন্তের অংশ হিসেবে তার আয়কর সংক্রান্ত নথি এবং একটি ফ্ল্যাটের কাগজপত্র জব্দ করেছে সংস্থাটি।

গত বুধবার (৩ জুন) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকার কর অঞ্চল-৬ এবং রাজউক অফিস থেকে এসব নথি সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, আয়কর নথিতে ২০০৬-০৭ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত টিউলিপ সিদ্দিকের রিটার্ন দাখিলের তথ্য রয়েছে। ওই নথিতে উল্লেখ রয়েছে, তিনি ‘এডভান্স টাওয়ার্ডস ডেভেলপারস’-এর নামে ৫ লাখ টাকা প্রদর্শন করেছেন।

আরও পড়ুন  "১০ লাখ টাকার বেশি আমানত ও সঞ্চয়পত্রে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক"

এছাড়া রাজউকের নথিপত্রে শ্যামলী রিং রোডের জনতা হাউজিং সোসাইটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের নামে একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গুলশান এলাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের পর সেটি তিনি তার ছোট বোন আজমিনা সিদ্দিককে হেবা করেন।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর থেকে তিনি আর কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি বলে নথিতে দেখা গেছে। যা বাংলাদেশের একজন করদাতা হিসেবে তার দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে।

এদিকে, তার মালিকানাধীন সম্পদ ও অর্থের উৎস নিয়ে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করতে যাচ্ছে দুদক। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, জালিয়াতির অভিযোগ এবং বিদেশি নাগরিক হিসেবে করফাঁকির মতো গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ব্রিটেনের পার্লামেন্টে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাই শেখ রেহানার মেয়ে।

দুদকের এ উদ্যোগের ফলে উচ্চপর্যায়ের প্রভাবশালী পরিবার থেকে আসা কারও বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি আবারো আলোচনায় এসেছে।