ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ঈদযাত্রায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেড়েছে চাপ, নেই কোন ভোগান্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 240

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেকড়ের টানে রাজধানী ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ির পথ ধরেছেন তারা। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ছুটছেন নিজ গন্তব্যে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) ঈদযাত্রার চতুর্থ দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীচাপ লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় ট্রেন চলাচল। দিনের সূচনায় একে একে ছেড়ে যায় বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন।

আরও পড়ুন  আজ থেকে শুরু ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনের অগ্রিম ট্রেন টিকিট বিক্রি

কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত অন্তত ১০টি ট্রেন রাজধানী ছেড়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশে। এর মধ্যে কিছুটা বিলম্বে ছেড়ে যায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস। তবে বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রী দেখা গেলেও অনেকে স্বস্তির সাথেই যাত্রা করতে পেরেছেন।

নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি। স্টেশনে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, টিকিটবিহীন কাউকে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে ভলান্টিয়ার টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করছে নিরলসভাবে।

এদিকে অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবারের ঈদযাত্রায় আগের চেয়ে কম ভোগান্তি হয়েছে। ট্রেন যথাসময়ে ছাড়ায় সন্তুষ্ট তারা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আগত যাত্রী সুমন মিয়া জানান, “অনেক আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম। আজকের যাত্রা অনেক সহজ হয়েছে। ভিড় আছে, কিন্তু ব্যবস্থা ভালো।”

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ট্রেন চলাচলে বিশেষ নজরদারি থাকবে। যাত্রীসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে পৌঁছাতে এমন চিত্র দেশের প্রতিটি রেলস্টেশনেই দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রেন যেন হয়ে উঠেছে ঘরে ফেরার এক একটি আনন্দযাত্রার বাহন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেড়েছে চাপ, নেই কোন ভোগান্তি

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেকড়ের টানে রাজধানী ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ির পথ ধরেছেন তারা। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ছুটছেন নিজ গন্তব্যে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) ঈদযাত্রার চতুর্থ দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীচাপ লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় ট্রেন চলাচল। দিনের সূচনায় একে একে ছেড়ে যায় বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে চলবে ১৭ ফেরি ও ২০ লঞ্চ

কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত অন্তত ১০টি ট্রেন রাজধানী ছেড়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশে। এর মধ্যে কিছুটা বিলম্বে ছেড়ে যায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস। তবে বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রী দেখা গেলেও অনেকে স্বস্তির সাথেই যাত্রা করতে পেরেছেন।

নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি। স্টেশনে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, টিকিটবিহীন কাউকে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে ভলান্টিয়ার টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করছে নিরলসভাবে।

এদিকে অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবারের ঈদযাত্রায় আগের চেয়ে কম ভোগান্তি হয়েছে। ট্রেন যথাসময়ে ছাড়ায় সন্তুষ্ট তারা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আগত যাত্রী সুমন মিয়া জানান, “অনেক আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম। আজকের যাত্রা অনেক সহজ হয়েছে। ভিড় আছে, কিন্তু ব্যবস্থা ভালো।”

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ট্রেন চলাচলে বিশেষ নজরদারি থাকবে। যাত্রীসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে পৌঁছাতে এমন চিত্র দেশের প্রতিটি রেলস্টেশনেই দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রেন যেন হয়ে উঠেছে ঘরে ফেরার এক একটি আনন্দযাত্রার বাহন।