০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

ঈদযাত্রায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেড়েছে চাপ, নেই কোন ভোগান্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 82

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেকড়ের টানে রাজধানী ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ির পথ ধরেছেন তারা। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ছুটছেন নিজ গন্তব্যে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) ঈদযাত্রার চতুর্থ দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীচাপ লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় ট্রেন চলাচল। দিনের সূচনায় একে একে ছেড়ে যায় বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন।

বিজ্ঞাপন

কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত অন্তত ১০টি ট্রেন রাজধানী ছেড়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশে। এর মধ্যে কিছুটা বিলম্বে ছেড়ে যায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস। তবে বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রী দেখা গেলেও অনেকে স্বস্তির সাথেই যাত্রা করতে পেরেছেন।

নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি। স্টেশনে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, টিকিটবিহীন কাউকে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে ভলান্টিয়ার টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করছে নিরলসভাবে।

এদিকে অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবারের ঈদযাত্রায় আগের চেয়ে কম ভোগান্তি হয়েছে। ট্রেন যথাসময়ে ছাড়ায় সন্তুষ্ট তারা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আগত যাত্রী সুমন মিয়া জানান, “অনেক আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম। আজকের যাত্রা অনেক সহজ হয়েছে। ভিড় আছে, কিন্তু ব্যবস্থা ভালো।”

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ট্রেন চলাচলে বিশেষ নজরদারি থাকবে। যাত্রীসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে পৌঁছাতে এমন চিত্র দেশের প্রতিটি রেলস্টেশনেই দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রেন যেন হয়ে উঠেছে ঘরে ফেরার এক একটি আনন্দযাত্রার বাহন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বেড়েছে চাপ, নেই কোন ভোগান্তি

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেকড়ের টানে রাজধানী ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে বাড়ির পথ ধরেছেন তারা। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ছুটছেন নিজ গন্তব্যে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) ঈদযাত্রার চতুর্থ দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীচাপ লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর ৪টা থেকেই শুরু হয় ট্রেন চলাচল। দিনের সূচনায় একে একে ছেড়ে যায় বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন।

বিজ্ঞাপন

কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত অন্তত ১০টি ট্রেন রাজধানী ছেড়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশে। এর মধ্যে কিছুটা বিলম্বে ছেড়ে যায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস। তবে বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া যাত্রী দেখা গেলেও অনেকে স্বস্তির সাথেই যাত্রা করতে পেরেছেন।

নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি। স্টেশনে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, টিকিটবিহীন কাউকে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে ভলান্টিয়ার টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করছে নিরলসভাবে।

এদিকে অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবারের ঈদযাত্রায় আগের চেয়ে কম ভোগান্তি হয়েছে। ট্রেন যথাসময়ে ছাড়ায় সন্তুষ্ট তারা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আগত যাত্রী সুমন মিয়া জানান, “অনেক আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম। আজকের যাত্রা অনেক সহজ হয়েছে। ভিড় আছে, কিন্তু ব্যবস্থা ভালো।”

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ট্রেন চলাচলে বিশেষ নজরদারি থাকবে। যাত্রীসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে পৌঁছাতে এমন চিত্র দেশের প্রতিটি রেলস্টেশনেই দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রেন যেন হয়ে উঠেছে ঘরে ফেরার এক একটি আনন্দযাত্রার বাহন।