ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সাঈদীর মামলার বাদীর দাফন, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে ও বোন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, সৌদির কাছে জবাব চেয়েছে ঢাকা জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের পদ হারালেন আশরাফুল পদত্যাগ না করলে নাহিদের নৈতিক ভিত্তি থাকবে না: রাশেদ খাঁন এইচএসসি পরীক্ষার ফল ২৯ অক্টোবর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ মিরপুরে দুই যুবক গ্রেফতার বিরোধীদলের নোট অব ডিসেন্ট শিথিলের প্রস্তাব বৈঠকে দিতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ যুবলীগ-ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা, এসআইসহ আহত ৩

রাশেদ খান মেনন পাঁচ দিনের রিমান্ডে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 607

ছবি সংগৃহীত

 

জুলাই মাসের গণ-আন্দোলনের সময় জুট ব্যবসায়ী মো. মনির হত্যার ঘটনায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

সোমবার (২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. এ. আজহারুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  অভিনেতা সিদ্দিক ৭ দিনের রিমান্ডে

এর আগে শাহবাগ থানা-পুলিশ মনির হত্যা মামলায় মেননের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আজিজুল হক, আর আসামিপক্ষে ছিলেন তানভীর আহমেদ।

এছাড়া জুলাই আন্দোলনে নিহত সাজেদুর রহমান ওমর-এর ঘটনায় দায়ের করা যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় ঢাকার সাবেক ওসি আবুল হাসানকে, এবং তেজগাঁও থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ আগস্ট, সরকার পতনের আন্দোলনের অংশ হিসেবে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগ দেন জুট ব্যবসায়ী মো. মনির। ওই সময়কার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।

মৃত্যুর সাত মাস পর, গত ১৪ মার্চ মনিরের স্ত্রী শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে রাশেদ খান মেননের উসকানি ও উপস্থিতি এই হত্যার সহায়তা করে।

এর আগে, ২১ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রনেতা সাজেদুর রহমান ওমর। পরে তিনি ২৪ আগস্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এই ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি, যাত্রাবাড়ী থানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮১ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়, যা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কয়েক দফা সরকারবিরোধী কর্মসূচি ও ছাত্র গণআন্দোলনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়। এসব ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ মানুষ হতাহত হয়।

এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত বহু মামলা, রিমান্ড ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশেদ খান মেনন পাঁচ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় ১২:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

জুলাই মাসের গণ-আন্দোলনের সময় জুট ব্যবসায়ী মো. মনির হত্যার ঘটনায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

সোমবার (২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. এ. আজহারুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  অভিনেতা সিদ্দিক ৭ দিনের রিমান্ডে

এর আগে শাহবাগ থানা-পুলিশ মনির হত্যা মামলায় মেননের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আজিজুল হক, আর আসামিপক্ষে ছিলেন তানভীর আহমেদ।

এছাড়া জুলাই আন্দোলনে নিহত সাজেদুর রহমান ওমর-এর ঘটনায় দায়ের করা যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় ঢাকার সাবেক ওসি আবুল হাসানকে, এবং তেজগাঁও থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ আগস্ট, সরকার পতনের আন্দোলনের অংশ হিসেবে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে যোগ দেন জুট ব্যবসায়ী মো. মনির। ওই সময়কার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।

মৃত্যুর সাত মাস পর, গত ১৪ মার্চ মনিরের স্ত্রী শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে রাশেদ খান মেননের উসকানি ও উপস্থিতি এই হত্যার সহায়তা করে।

এর আগে, ২১ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রনেতা সাজেদুর রহমান ওমর। পরে তিনি ২৪ আগস্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এই ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি, যাত্রাবাড়ী থানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮১ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়, যা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কয়েক দফা সরকারবিরোধী কর্মসূচি ও ছাত্র গণআন্দোলনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায়। এসব ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ মানুষ হতাহত হয়।

এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত বহু মামলা, রিমান্ড ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।