ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানে সেনা অভিযানে নিহত ১২ ‘ভারতীয় প্রক্সি’ সন্ত্রাসী

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপ বয়কট ইস্যুতে পাকিস্তানের ফলপ্রসূ বৈঠক, যা জানা গেল

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।