ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 597

ছবি সংগৃহীত

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

আরও পড়ুন  ভয়াবহ বন্যার পর এবার কলেরার ঝুঁকিতে পাকিস্তান

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির আয়োজনে রবিবার লাহোরের গভর্নর হাউসে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সফররত বাংলাদেশ ও স্বাগতিক পাকিস্তান ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি।

আরও পড়ুন  রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর সীমান্তে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

অনুষ্ঠানে দুই দলের খেলোয়াড়দের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি জারদারি। চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে উভয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দল তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে পাকিস্তান সফরে এসেছে, এটা খুবই সম্মানের বিষয়।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন। আমাদের তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সম্পর্ককে আরো গভীর ও সুদৃঢ় করা।”

বিচ্ছিন্নতার অতীত স্মরণ করে আসিফ আলী জারদারি বলেন, “আমি সেই প্রজন্মের মানুষ, যারা একাত্তরের বিচ্ছেদের সাক্ষী। আজকের প্রজন্ম হয়তো সেই যন্ত্রণা অনুভব করতে পারবে না, তবে সম্পর্ক গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।”

বাংলাদেশ জাতির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক জাতি হলো বাঙালিরা। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত একটি সফলতা।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে দুই দেশেরই জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

রাষ্ট্রপতি জারদারি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে, আর খেলাধুলা হতে পারে সেই যোগাযোগের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।