ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত অন্তত ৭২ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 640

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজার পরিস্থিতি দিনদিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর টানা হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৩২১ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৭০ জন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে শনিবার (৩১ মে)।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন ফিলিস্তিনি। এ সময় আহত হয়েছেন ২৭৮ জন।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে যুবক নিহত, গুলিবিদ্ধ ৬

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে আছেন, যাদের জীবিত না মৃত তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহল বারবার গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই অভিযান চলবে, যতক্ষণ না হামাস পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর হয় এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করা সম্ভব হয়।

এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথম সপ্তাহেই জীবিত ও মৃত মিলিয়ে ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বদলে ইসরায়েলি কারাগারে আটক থাকা ১ হাজার ২৩৬ জন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ১৮০ জনের মরদেহ ফেরত দেয়া হবে।

যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানালেও হামাস এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। তবে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসে এই যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যদি হামাস প্রস্তাবটি মেনে নেয় এবং স্বাক্ষর করে, তাহলে জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফলে গাজায় সাময়িক শান্তির কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও যুদ্ধ বন্ধে এখনো রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ২৪ ঘন্টায় নিহত অন্তত ৭২ জন

আপডেট সময় ১১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

গাজার পরিস্থিতি দিনদিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর টানা হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৩২১ জনে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৭০ জন। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে শনিবার (৩১ মে)।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও অন্তত ৭২ জন ফিলিস্তিনি। এ সময় আহত হয়েছেন ২৭৮ জন।

আরও পড়ুন  আফগানিস্তানে বাস উল্টে নিহত ২৫

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে আছেন, যাদের জীবিত না মৃত তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহল বারবার গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই অভিযান চলবে, যতক্ষণ না হামাস পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর হয় এবং ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করা সম্ভব হয়।

এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথম সপ্তাহেই জীবিত ও মৃত মিলিয়ে ২৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়া হবে। এর বদলে ইসরায়েলি কারাগারে আটক থাকা ১ হাজার ২৩৬ জন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ১৮০ জনের মরদেহ ফেরত দেয়া হবে।

যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানালেও হামাস এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। তবে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসে এই যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যদি হামাস প্রস্তাবটি মেনে নেয় এবং স্বাক্ষর করে, তাহলে জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফলে গাজায় সাময়িক শান্তির কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও যুদ্ধ বন্ধে এখনো রয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।