ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

আজ প্রথমবারের মতো চীনে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের আম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 249

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হলো। আজ বুধবার দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম দফায় ১০ টন আম চীনের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরে আয়োজন করা হয়েছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।

চীনে এর আগে কখনোই বাংলাদেশি আম রপ্তানি হয়নি। কয়েক মাস আগে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চলতি মৌসুমে মোট ১০০ টন আম রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম চালানে সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চলের গাছপাকা নির্বাচিত আম রপ্তানি করা হচ্ছে। কয়েকজন রপ্তানিকারক মিলিতভাবে এ ১০ টন আম রপ্তানি করছেন।

আরও পড়ুন  ঈদে বুড়িমারী স্থলবন্দর ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, “প্রথম দফায় আজ ১০ টন আম চীনে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে চুক্তির আওতায় বাকি আমও রপ্তানি করা হবে।”

এদিকে আজ সকালেই রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের আম রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

চীনে আম রপ্তানির প্রক্রিয়া গতি পায় যখন গত ২৮ এপ্রিল দেশটির রাষ্ট্রদূত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের বাগান পরিদর্শন করেন। এরপরই রপ্তানির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার চীনে আমসহ কয়েকটি কৃষিপণ্য রপ্তানির অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তবে করোনা মহামারি ও অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতায় বিষয়টি এতদিন ঝুলে ছিল। ছয় বছর পর অবশেষে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে আম উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ২৪ লাখ টন। তবে এর বিপরীতে রপ্তানির পরিমাণ মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন। গত বছর বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানি হয়েছে ২১টি দেশে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ইতালি, সিঙ্গাপুরসহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

চীনে এই নতুন রপ্তানি বাংলাদেশের কৃষিপণ্য বাজারে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ প্রথমবারের মতো চীনে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের আম

আপডেট সময় ০৩:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হলো। আজ বুধবার দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম দফায় ১০ টন আম চীনের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরে আয়োজন করা হয়েছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।

চীনে এর আগে কখনোই বাংলাদেশি আম রপ্তানি হয়নি। কয়েক মাস আগে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চলতি মৌসুমে মোট ১০০ টন আম রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম চালানে সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চলের গাছপাকা নির্বাচিত আম রপ্তানি করা হচ্ছে। কয়েকজন রপ্তানিকারক মিলিতভাবে এ ১০ টন আম রপ্তানি করছেন।

আরও পড়ুন  কাঁকড়া চাষের মাধ্যমে উপকূলের উন্নয়ন ও বিদেশে হচ্ছে রপ্তানি

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, “প্রথম দফায় আজ ১০ টন আম চীনে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে চুক্তির আওতায় বাকি আমও রপ্তানি করা হবে।”

এদিকে আজ সকালেই রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের আম রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

চীনে আম রপ্তানির প্রক্রিয়া গতি পায় যখন গত ২৮ এপ্রিল দেশটির রাষ্ট্রদূত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের বাগান পরিদর্শন করেন। এরপরই রপ্তানির বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার চীনে আমসহ কয়েকটি কৃষিপণ্য রপ্তানির অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। তবে করোনা মহামারি ও অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতায় বিষয়টি এতদিন ঝুলে ছিল। ছয় বছর পর অবশেষে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে আম উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ২৪ লাখ টন। তবে এর বিপরীতে রপ্তানির পরিমাণ মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন। গত বছর বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানি হয়েছে ২১টি দেশে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ইতালি, সিঙ্গাপুরসহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

চীনে এই নতুন রপ্তানি বাংলাদেশের কৃষিপণ্য বাজারে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।