ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

চার দাবিতে এনবিআরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 136

ছবি সংগৃহীত

 

চার দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই ঘোষণা দেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপ-কর কমিশনার মো. মোস্তফিজুর রহমান এবং সহকারী কর কমিশনার মো. ইশতিয়াক হোসেন।

আরও পড়ুন  আজ অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসছেন এনবিআরের আন্দোলনকারীরা

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে কাস্টমস হাউস ও এলসি স্টেশনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সীমিত কর্মবিরতি চলবে। রপ্তানি কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২৫ মে সকাল ৯টা থেকে ঢাকার সব ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনবিআর প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ওইদিন বিকেল ৪টায় আবারও প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এছাড়া ২৬ মে (সোমবার) থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে, বলে ঘোষণায় জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। তাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

১. বেতন বৈষম্য নিরসন, ২. রাজস্ব কর্মকর্তাদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, ৩. পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা রোধ এবং ৪. স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন।

এই কর্মবিরতির ফলে দেশের রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যা চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চার দাবিতে এনবিআরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

চার দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীর এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এই ঘোষণা দেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপ-কর কমিশনার মো. মোস্তফিজুর রহমান এবং সহকারী কর কমিশনার মো. ইশতিয়াক হোসেন।

আরও পড়ুন  কর ব্যবস্থাকে সহজীকরণে এনবিআরের নতুন উদ্যোগ

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আয়কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে কাস্টমস হাউস ও এলসি স্টেশনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সীমিত কর্মবিরতি চলবে। রপ্তানি কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২৫ মে সকাল ৯টা থেকে ঢাকার সব ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনবিআর প্রাঙ্গণে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ওইদিন বিকেল ৪টায় আবারও প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এছাড়া ২৬ মে (সোমবার) থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত সব দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে, বলে ঘোষণায় জানানো হয়।

সংগঠনের নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। তাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

১. বেতন বৈষম্য নিরসন, ২. রাজস্ব কর্মকর্তাদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ, ৩. পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা রোধ এবং ৪. স্বাধীন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন।

এই কর্মবিরতির ফলে দেশের রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, যা চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।