ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে অনিয়ম ও বৈষম্যের সুযোগ রাখা হবে না: প্রধান উপদেষ্টার দূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 434

ছবি: সংগৃহীত

 

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও বৈষম্যের সুযোগ রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। তিনি বলেন, কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটি হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক।

বুধবার (২১ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  জাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

লুৎফে সিদ্দিকী জানান, “গত বছর প্রথম ধাপে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ায় যারা যাবার সব প্রস্তুতি নিয়েও যেতে পারেননি, তাদের মধ্যে প্রায় আট হাজার কর্মীকে এবার প্রাধান্য দেওয়া হবে। এই কর্মীদের দ্রুত বোয়েসেলের মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সি থাকায় মালয়েশিয়া সরকার সীমিত সংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিতে আগ্রহী। তাই আজকের যৌথ বৈঠকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে পূর্বের সমঝোতা স্মারক সংশোধনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”

মালয়েশিয়া সরকার কোনো শর্ত দেয়নি বলেও জানান তিনি। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, “সিন্ডিকেট সংক্রান্ত পুরনো মামলাগুলো প্রত্যাহার বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ করেনি মালয়েশিয়া। বরং দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপারে আন্তরিক মনোভাব পোষণ করছে।”

তিনি জানান, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যেই আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনায় নিয়েছে। দুই দেশই চায়, শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রেখে একটি নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মী প্রেরণ হোক।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়, যার নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ড. মো. শাহরিন বিন উমর।

বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনায় কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে অনিয়ম ও বৈষম্যের সুযোগ রাখা হবে না: প্রধান উপদেষ্টার দূত

আপডেট সময় ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

 

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও বৈষম্যের সুযোগ রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। তিনি বলেন, কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটি হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক।

বুধবার (২১ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই হবে: আইন উপদেষ্টা

লুৎফে সিদ্দিকী জানান, “গত বছর প্রথম ধাপে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ায় যারা যাবার সব প্রস্তুতি নিয়েও যেতে পারেননি, তাদের মধ্যে প্রায় আট হাজার কর্মীকে এবার প্রাধান্য দেওয়া হবে। এই কর্মীদের দ্রুত বোয়েসেলের মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সি থাকায় মালয়েশিয়া সরকার সীমিত সংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিতে আগ্রহী। তাই আজকের যৌথ বৈঠকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে পূর্বের সমঝোতা স্মারক সংশোধনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”

মালয়েশিয়া সরকার কোনো শর্ত দেয়নি বলেও জানান তিনি। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, “সিন্ডিকেট সংক্রান্ত পুরনো মামলাগুলো প্রত্যাহার বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ করেনি মালয়েশিয়া। বরং দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের ব্যাপারে আন্তরিক মনোভাব পোষণ করছে।”

তিনি জানান, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যেই আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনায় নিয়েছে। দুই দেশই চায়, শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রেখে একটি নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মী প্রেরণ হোক।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়, যার নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ড. মো. শাহরিন বিন উমর।

বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর চূড়ান্ত প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনায় কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।