ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলায় একদিনে শিশুসহ নিহত ২৬

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 429

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ধারাবাহিক ড্রোন ও বিমান হামলায় অন্তত ২৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮ জন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল মূলত বেসামরিক মানুষ ও আশ্রয়প্রার্থীদের তাবু।

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে একদল সাধারণ মানুষের ওপর চালানো ড্রোন হামলায় ঘটনাস্থলেই দুজন প্রাণ হারান। একই শহরে পৃথক ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হন। এর আগে আহত হওয়া আরেক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আরও পড়ুন  গাজায় ত্রাণকেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৪০ ফিলিস্তিনি

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের একটি আশ্রয়শিবিরের তাবু লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় এক ব্যক্তি ও তার শিশু সন্তান নিহত হন। একই শহরের পশ্চিমাঞ্চলের আরেকটি তাবুতে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন দুই শিশুসহ চারজন।

আল-মাওয়াসি এলাকার আসদা শহরের কাছাকাছি দুটি তাবুতে চালানো পৃথক হামলায় আরও চারজন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ওই এলাকাতেই আরেকটি তাবুতে হামলায় মারা যায় আরও এক শিশু। একইসঙ্গে একটি সাইকেলের ওপর চালানো ড্রোন হামলায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

এছাড়া সোমবার সকালে গাজা শহরের উত্তরে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ফাতিমা বিনতে আসাদ স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য বলে জানা গেছে।

চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর এ ধরণের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিশু ও নিরীহ মানুষের প্রাণহানি যেন এই রক্তাক্ত সংঘাতের নির্মম বাস্তবতাকেই আরও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলায় একদিনে শিশুসহ নিহত ২৬

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ধারাবাহিক ড্রোন ও বিমান হামলায় অন্তত ২৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮ জন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল মূলত বেসামরিক মানুষ ও আশ্রয়প্রার্থীদের তাবু।

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে একদল সাধারণ মানুষের ওপর চালানো ড্রোন হামলায় ঘটনাস্থলেই দুজন প্রাণ হারান। একই শহরে পৃথক ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হন। এর আগে আহত হওয়া আরেক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আরও পড়ুন  ভুবনেশ্বরে ৭০ বাংলাদেশি পর্যটকসহ উল্টে গেল বাস: নিহত ১, আহত ১৫

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের একটি আশ্রয়শিবিরের তাবু লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় এক ব্যক্তি ও তার শিশু সন্তান নিহত হন। একই শহরের পশ্চিমাঞ্চলের আরেকটি তাবুতে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন দুই শিশুসহ চারজন।

আল-মাওয়াসি এলাকার আসদা শহরের কাছাকাছি দুটি তাবুতে চালানো পৃথক হামলায় আরও চারজন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ওই এলাকাতেই আরেকটি তাবুতে হামলায় মারা যায় আরও এক শিশু। একইসঙ্গে একটি সাইকেলের ওপর চালানো ড্রোন হামলায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

এছাড়া সোমবার সকালে গাজা শহরের উত্তরে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ফাতিমা বিনতে আসাদ স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য বলে জানা গেছে।

চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর এ ধরণের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো একে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিশু ও নিরীহ মানুষের প্রাণহানি যেন এই রক্তাক্ত সংঘাতের নির্মম বাস্তবতাকেই আরও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।