ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

ইকুয়েডরে অবৈধ খনিবিরোধী অভিযানে হামলা, ১১ সেনা নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 555

ছবি: সংগৃহীত

 

ইকুয়েডরের আমাজন অঞ্চলে অবৈধ খনির বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে সশস্ত্র সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে আল্টো পুনিনো এলাকায়, যেখানে সেনাবাহিনী একটি অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কমান্ডোস দে লা ফ্রন্টেরা’ বা ‘বর্ডার কমান্ড’ নামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সেনাদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এই গোষ্ঠীটি মূলত কলম্বিয়া-ইকুয়েডর সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় এবং মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যায়।

আরও পড়ুন  নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ ২০ জন গ্রেপ্তার

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক, গ্রেনেড এবং রাইফেল ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, “আমাদের ১১ জন সাহসী সেনা শহীদ হয়েছেন এবং একজন আহত হয়েছেন। হামলাটি ছিল পরিকল্পিত এবং ঘাতকতুল্য।”

এদিকে, ঘটনার পরপরই প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, হামলার স্থান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার এবং প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে নিহতের সংখ্যা বাড়ে।

ইকুয়েডরের সেনাবাহিনী এক জোরালো প্রতিক্রিয়ায় জানায়, “এই ঘৃণ্য হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

এ ঘটনায় পুরো দেশে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

এই হামলা আবারও প্রমাণ করে, অবৈধ খনি এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই কতটা বিপজ্জনক এবং সেনাবাহিনী কীভাবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

ইকুয়েডরে অবৈধ খনিবিরোধী অভিযানে হামলা, ১১ সেনা নিহত

আপডেট সময় ১২:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

ইকুয়েডরের আমাজন অঞ্চলে অবৈধ খনির বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে সশস্ত্র সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে আল্টো পুনিনো এলাকায়, যেখানে সেনাবাহিনী একটি অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কমান্ডোস দে লা ফ্রন্টেরা’ বা ‘বর্ডার কমান্ড’ নামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সেনাদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এই গোষ্ঠীটি মূলত কলম্বিয়া-ইকুয়েডর সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় এবং মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে গোয়েন্দা তথ্য থেকে জানা যায়।

আরও পড়ুন  নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ ২০ জন গ্রেপ্তার

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া সেনাদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক, গ্রেনেড এবং রাইফেল ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, “আমাদের ১১ জন সাহসী সেনা শহীদ হয়েছেন এবং একজন আহত হয়েছেন। হামলাটি ছিল পরিকল্পিত এবং ঘাতকতুল্য।”

এদিকে, ঘটনার পরপরই প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, হামলার স্থান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার এবং প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে নিহতের সংখ্যা বাড়ে।

ইকুয়েডরের সেনাবাহিনী এক জোরালো প্রতিক্রিয়ায় জানায়, “এই ঘৃণ্য হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

এ ঘটনায় পুরো দেশে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

এই হামলা আবারও প্রমাণ করে, অবৈধ খনি এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই কতটা বিপজ্জনক এবং সেনাবাহিনী কীভাবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স