ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

জাতীয় ঐকমত্যের লক্ষ্য দলগুলোর নিজস্ব অবস্থান রেখে সমঝোতার: আলী রীয়াজের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 438

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নিজ নিজ অবস্থান বজায় রেখেই যেন তারা কিছু মৌলিক বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছায়। তিনি বলেন, “প্রত্যেক দলের নিজস্ব মত থাকবে, তবে পাশাপাশি কিছু মৌলিক বিষয়ে সবাইকে একমত হতে হবে। এর জন্য প্রত্যেককেই কিছু ছাড় দিতে হবে এই প্রত্যাশা আমাদের।”

বুধবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। পাঁচটি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ নাগরিক ঐক্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে,কেউ রুখতে পারবে না: সালাহউদ্দিন আহমেদ

অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, ইতিমধ্যে ৩৫টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে প্রাথমিক মতামত গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা চলমান। কমিশন আশা করছে, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে প্রাথমিক আলোচনার ধাপ শেষ করে পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে যাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সময়ের বাইরে গিয়ে নয়, যত দ্রুত সম্ভব একটি জাতীয় সনদ তৈরির লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার কাজ শুধু আমাদের কমিশনের নয়। এটি জনগণের দেওয়া দায়িত্ব। দলগুলোর মধ্যেও যেন নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়, এটাই সময়ের দাবি। আমরা সহযোগিতা করছি মাত্র। রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণই এই উদ্যোগকে সফল করতে পারে।”

বৈঠকে উপস্থিত নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার বলেন, “আমরা দেখেছি, প্রায় ১০০টির মতো বিষয়ে অধিকাংশ দল একমত হয়েছে। এগুলো নিয়ে সম্মিলিতভাবে একটি ঘোষণাপত্র দেওয়া সম্ভব। একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা যেতে পারে।”

এ বৈঠকে শহীদুল্লাহ কায়সারের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ছাড়াও সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টা আগামী দিনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় ঐকমত্যের লক্ষ্য দলগুলোর নিজস্ব অবস্থান রেখে সমঝোতার: আলী রীয়াজের

আপডেট সময় ০২:১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নিজ নিজ অবস্থান বজায় রেখেই যেন তারা কিছু মৌলিক বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছায়। তিনি বলেন, “প্রত্যেক দলের নিজস্ব মত থাকবে, তবে পাশাপাশি কিছু মৌলিক বিষয়ে সবাইকে একমত হতে হবে। এর জন্য প্রত্যেককেই কিছু ছাড় দিতে হবে এই প্রত্যাশা আমাদের।”

বুধবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। পাঁচটি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ নাগরিক ঐক্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্যের উদ্যোগে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি প্রতিনিধি দল

অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, ইতিমধ্যে ৩৫টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে প্রাথমিক মতামত গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা চলমান। কমিশন আশা করছে, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে প্রাথমিক আলোচনার ধাপ শেষ করে পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে যাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মাসের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সময়ের বাইরে গিয়ে নয়, যত দ্রুত সম্ভব একটি জাতীয় সনদ তৈরির লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার কাজ শুধু আমাদের কমিশনের নয়। এটি জনগণের দেওয়া দায়িত্ব। দলগুলোর মধ্যেও যেন নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়, এটাই সময়ের দাবি। আমরা সহযোগিতা করছি মাত্র। রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণই এই উদ্যোগকে সফল করতে পারে।”

বৈঠকে উপস্থিত নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার বলেন, “আমরা দেখেছি, প্রায় ১০০টির মতো বিষয়ে অধিকাংশ দল একমত হয়েছে। এগুলো নিয়ে সম্মিলিতভাবে একটি ঘোষণাপত্র দেওয়া সম্ভব। একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা যেতে পারে।”

এ বৈঠকে শহীদুল্লাহ কায়সারের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ছাড়াও সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টা আগামী দিনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।