ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

পাবনায় বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষ, আহত ৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 476

ছবি সংগৃহীত

 

পাবনা শহরের রাঘবপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হন।

ঘটনার পর মাসুদ খন্দকার দাবি করেন, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে পুলিশ বলছে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারপিট ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  বিএনপি ধরে নিয়েছে তারা ক্ষমতায় গিয়ে আগের মতো অপকর্ম চালাবে: জামায়াত নায়েবে আমির

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যার পর থেকেই মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত আটটার দিকে পাবনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরহাদ জোয়াদ্দারের নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে পৌঁছায়। কিছুক্ষণ পর আরও একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে আসে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছু গুলির শব্দ শোনা যায় বলে জানান স্থানীয়রা। এতে মাসুদ খন্দকারের অনুসারী অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

মাসুদ খন্দকার বলেন, “প্রতিদিনই আমার বাড়ির সামনে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করেন। আমি ঘটনার সময় বাড়ির ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায় ও ককটেল ফাটায়। আমার জীবননাশের উদ্দেশ্যেই এ হামলা করা হয়েছে।”

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

পাবনা সদর থানার ওসি আবদুস সালাম বলেন, “বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলীয় কোন্দল চলছিল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এ কারণেই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। একটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত মিলেছে, তবে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও নতুন করে চাঙা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষ, আহত ৫

আপডেট সময় ১০:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

পাবনা শহরের রাঘবপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হন।

ঘটনার পর মাসুদ খন্দকার দাবি করেন, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে পুলিশ বলছে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারপিট ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  ফকিরহাটে বাস সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যার পর থেকেই মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত আটটার দিকে পাবনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরহাদ জোয়াদ্দারের নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে পৌঁছায়। কিছুক্ষণ পর আরও একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে আসে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছু গুলির শব্দ শোনা যায় বলে জানান স্থানীয়রা। এতে মাসুদ খন্দকারের অনুসারী অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

মাসুদ খন্দকার বলেন, “প্রতিদিনই আমার বাড়ির সামনে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করেন। আমি ঘটনার সময় বাড়ির ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায় ও ককটেল ফাটায়। আমার জীবননাশের উদ্দেশ্যেই এ হামলা করা হয়েছে।”

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

পাবনা সদর থানার ওসি আবদুস সালাম বলেন, “বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলীয় কোন্দল চলছিল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এ কারণেই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। একটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত মিলেছে, তবে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও নতুন করে চাঙা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।