ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

পাবনায় বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষ, আহত ৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 374

ছবি সংগৃহীত

 

পাবনা শহরের রাঘবপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হন।

ঘটনার পর মাসুদ খন্দকার দাবি করেন, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে পুলিশ বলছে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারপিট ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যার পর থেকেই মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত আটটার দিকে পাবনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরহাদ জোয়াদ্দারের নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে পৌঁছায়। কিছুক্ষণ পর আরও একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে আসে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছু গুলির শব্দ শোনা যায় বলে জানান স্থানীয়রা। এতে মাসুদ খন্দকারের অনুসারী অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

মাসুদ খন্দকার বলেন, “প্রতিদিনই আমার বাড়ির সামনে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করেন। আমি ঘটনার সময় বাড়ির ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায় ও ককটেল ফাটায়। আমার জীবননাশের উদ্দেশ্যেই এ হামলা করা হয়েছে।”

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

পাবনা সদর থানার ওসি আবদুস সালাম বলেন, “বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলীয় কোন্দল চলছিল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এ কারণেই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। একটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত মিলেছে, তবে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও নতুন করে চাঙা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষ, আহত ৫

আপডেট সময় ১০:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

পাবনা শহরের রাঘবপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী আহত হন।

ঘটনার পর মাসুদ খন্দকার দাবি করেন, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে পুলিশ বলছে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারপিট ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  অপকর্ম বন্ধ না করলে বিএনপিকেও জনগণ ছুড়ে মারবে: মির্জা ফখরুল

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সন্ধ্যার পর থেকেই মাসুদ খন্দকারের বাড়ির সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। রাত আটটার দিকে পাবনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরহাদ জোয়াদ্দারের নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে পৌঁছায়। কিছুক্ষণ পর আরও একটি মোটরসাইকেল বহর সেখানে আসে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছু গুলির শব্দ শোনা যায় বলে জানান স্থানীয়রা। এতে মাসুদ খন্দকারের অনুসারী অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

মাসুদ খন্দকার বলেন, “প্রতিদিনই আমার বাড়ির সামনে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করেন। আমি ঘটনার সময় বাড়ির ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে গুলি চালায় ও ককটেল ফাটায়। আমার জীবননাশের উদ্দেশ্যেই এ হামলা করা হয়েছে।”

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

পাবনা সদর থানার ওসি আবদুস সালাম বলেন, “বিএনপির নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলীয় কোন্দল চলছিল। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এ কারণেই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। একটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত মিলেছে, তবে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও নতুন করে চাঙা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।