ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই পুরান ঢাকায় বার্ন ইউনিটের নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জ্বালানি সংকটের মুখে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভুলে আবারও রাশিয়ার দ্বারস্থ হয়েছে ভারত। যুদ্ধের সময় পারমাণবিক অস্ত্র চায় ফিনল্যান্ড। যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে ভারত মহাসাগরে জাহাজডুবি, বহু নাবিক নিখোঁজ কুর্দিদের অতিদ্রুত পক্ষ নির্বাচন করতে বলেছেন ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন-জাপান খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে ৫৭ জনের মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 123

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ফলে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে। খাদ্য, পানি ও ওষুধবাহী মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলো সীমান্তেই আটকে রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার কারণে এসব সহায়তা এখনও গাজায় প্রবেশ করতে পারেনি।

অন্যদিকে, শনিবার (৩ মে) ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল পেল ১,৮০০ বিধ্বংসী MK84 বোমা, গাজার জন্য নতুন সংকেত?

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৪৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জন। তবে গাজা গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিস বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষের মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি। তাই প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

মানবিক সহায়তার অপ্রবেশযোগ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাগুলো বলছে, খাদ্য ও ওষুধ সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং অনাহারে মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে একটি সমন্বিত হামলা চালায়, যেখানে ১,১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি লোককে জিম্মি করে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গাজার মানুষ এখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। খাদ্যহীনতা, ওষুধের সংকট এবং নিরাপত্তাহীনতার মাঝে দিন কাটাচ্ছে লাখো নিরীহ মানুষ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন বড় প্রশ্ন এই অবরোধ ও সহিংসতা কবে থামবে?

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে ৫৭ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:১৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ফলে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ জনে। খাদ্য, পানি ও ওষুধবাহী মানবিক সহায়তার ট্রাকগুলো সীমান্তেই আটকে রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর বাধার কারণে এসব সহায়তা এখনও গাজায় প্রবেশ করতে পারেনি।

অন্যদিকে, শনিবার (৩ মে) ইসরায়েলি বিমান ও স্থল হামলায় একদিনেই কমপক্ষে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় চিকিৎসা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

আরও পড়ুন  ফের আগ্রাসী ইসরায়েল, গাজায় আরও ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৫০ হাজার

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৫২ হাজার ৪৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৬ জন। তবে গাজা গভর্নমেন্ট মিডিয়া অফিস বলছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু মানুষের মরদেহ এখনও উদ্ধার হয়নি। তাই প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে।

মানবিক সহায়তার অপ্রবেশযোগ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। তারা অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাগুলো বলছে, খাদ্য ও ওষুধ সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং অনাহারে মৃত্যুর ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে একটি সমন্বিত হামলা চালায়, যেখানে ১,১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২০০ জনের বেশি লোককে জিম্মি করে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গাজার মানুষ এখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। খাদ্যহীনতা, ওষুধের সংকট এবং নিরাপত্তাহীনতার মাঝে দিন কাটাচ্ছে লাখো নিরীহ মানুষ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এখন বড় প্রশ্ন এই অবরোধ ও সহিংসতা কবে থামবে?