ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

বৈধ পথে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় দেশের রিজার্ভে স্বস্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 141

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারো ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

তিনি জানান, সম্প্রতি অর্থপাচার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি খাতেও উচ্চ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই দুটি ইতিবাচক প্রবণতার কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য আশার বার্তা।

আরও পড়ুন  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩০ বিলিয়নের ঘরে, স্বস্তি রেমিট্যান্সেও

এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার। তবে এরপর থেকে প্রতি মাসে তা কমতে থাকে। গত বছরের জুলাইয়ের শেষ নাগাদ রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে।

বর্তমানে পরিস্থিতি পরিবর্তনের পথে। সরকার পরিবর্তনের পর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে আর ডলার বিক্রি করছে না। বরং ডলার বাজার থেকে সংগ্রহ করছে, যার ফলে বাজারে চাপ কমছে। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনার কৌশল কাজে লাগিয়ে পূর্বের ৩২০ কোটি ডলারের দায়ও সফলভাবে পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন খান বলেন, “আমদানির ব্যয় স্বাভাবিক, আবার রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরেছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন রিজার্ভ টেকসইভাবে বাড়ানো এবং বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখা।”

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ বাড়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমদানি ব্যয় নির্বাহ, সরকারি ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্যে আস্থা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে রিজার্ভ বাড়ার পাশাপাশি ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতির বার্তা দিচ্ছে। অর্থনীতির ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৌশল কার্যকর হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈধ পথে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় দেশের রিজার্ভে স্বস্তি

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারো ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

তিনি জানান, সম্প্রতি অর্থপাচার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি খাতেও উচ্চ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই দুটি ইতিবাচক প্রবণতার কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য আশার বার্তা।

আরও পড়ুন  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩০ বিলিয়নের ঘরে, স্বস্তি রেমিট্যান্সেও

এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার। তবে এরপর থেকে প্রতি মাসে তা কমতে থাকে। গত বছরের জুলাইয়ের শেষ নাগাদ রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে।

বর্তমানে পরিস্থিতি পরিবর্তনের পথে। সরকার পরিবর্তনের পর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে আর ডলার বিক্রি করছে না। বরং ডলার বাজার থেকে সংগ্রহ করছে, যার ফলে বাজারে চাপ কমছে। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনার কৌশল কাজে লাগিয়ে পূর্বের ৩২০ কোটি ডলারের দায়ও সফলভাবে পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন খান বলেন, “আমদানির ব্যয় স্বাভাবিক, আবার রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরেছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন রিজার্ভ টেকসইভাবে বাড়ানো এবং বিনিময় হারকে স্থিতিশীল রাখা।”

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ বাড়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমদানি ব্যয় নির্বাহ, সরকারি ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্যে আস্থা ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

সব মিলিয়ে রিজার্ভ বাড়ার পাশাপাশি ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতির বার্তা দিচ্ছে। অর্থনীতির ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৌশল কার্যকর হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।