ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

মিরাজের ব্যাটিং- বোলিং নৈপুণ্যে ইনিংস ব্যবধানে টাইগারদের দাপুটে জয়, সিরিজ শেষ সমতায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 158

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে অনন্য অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের নায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। তার সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তিতে টাইগাররা তিন দিনেই ম্যাচ গুটিয়ে নেয়।

সিলেটে প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় লজ্জার হারের পর সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে উতরে গেল স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  ৪ রানের নাটকীয় জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

সাগরিকায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে করে ২২৭ রান। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ২৯১ রানে। পরদিন মিরাজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ আরও ১৫৩ রান যোগ করে অলআউট হয় ৪৪৪ রানে।

প্রথম ইনিংসে ২১৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ২২ রান উঠতেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। এরপর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও ওপেনার বেন কারেন ৪৭ রানের জুটি গড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ম্যাচে বল হাতে ফের আলো ছড়ান মেহেদি হাসান মিরাজ। আরভিনকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তিনি। একই ওভারে ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরেকেও। এরপর আর মাত্র ৪২ রান যোগ করতেই জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১১১ রানে।

মিরাজ একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ১৩তম বারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান তিনি। ইনিংসের শেষ উইকেটটি রান আউট করে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন মমিনুল হক।

এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে টানা ছয় টেস্টে জয়হীন থাকার হতাশা ঘোচালো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে সমতায় শেষ করল টাইগাররা।

এই ম্যাচটি শুধু একটি জয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক বড় মুহূর্ত। বিশেষ করে মেহেদি হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আবারও প্রমাণ করলো, দলের বিপদের সময় তিনি কতটা নির্ভরতার প্রতীক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মিরাজের ব্যাটিং- বোলিং নৈপুণ্যে ইনিংস ব্যবধানে টাইগারদের দাপুটে জয়, সিরিজ শেষ সমতায়

আপডেট সময় ০৬:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে অনন্য অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের নায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। তার সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তিতে টাইগাররা তিন দিনেই ম্যাচ গুটিয়ে নেয়।

সিলেটে প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় লজ্জার হারের পর সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে উতরে গেল স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা নারী দল

সাগরিকায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে করে ২২৭ রান। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ২৯১ রানে। পরদিন মিরাজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ আরও ১৫৩ রান যোগ করে অলআউট হয় ৪৪৪ রানে।

প্রথম ইনিংসে ২১৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ২২ রান উঠতেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। এরপর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও ওপেনার বেন কারেন ৪৭ রানের জুটি গড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ম্যাচে বল হাতে ফের আলো ছড়ান মেহেদি হাসান মিরাজ। আরভিনকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তিনি। একই ওভারে ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরেকেও। এরপর আর মাত্র ৪২ রান যোগ করতেই জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১১১ রানে।

মিরাজ একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ১৩তম বারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান তিনি। ইনিংসের শেষ উইকেটটি রান আউট করে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন মমিনুল হক।

এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে টানা ছয় টেস্টে জয়হীন থাকার হতাশা ঘোচালো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে সমতায় শেষ করল টাইগাররা।

এই ম্যাচটি শুধু একটি জয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক বড় মুহূর্ত। বিশেষ করে মেহেদি হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আবারও প্রমাণ করলো, দলের বিপদের সময় তিনি কতটা নির্ভরতার প্রতীক।