ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মিরাজের ব্যাটিং- বোলিং নৈপুণ্যে ইনিংস ব্যবধানে টাইগারদের দাপুটে জয়, সিরিজ শেষ সমতায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 285

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে অনন্য অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের নায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। তার সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তিতে টাইগাররা তিন দিনেই ম্যাচ গুটিয়ে নেয়।

সিলেটে প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় লজ্জার হারের পর সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে উতরে গেল স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  ইংল্যান্ডকে কাঁপিয়ে দিল নেপাল,হারলেও লড়াইয়ে উজ্জ্বল ছিল দলটি

সাগরিকায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে করে ২২৭ রান। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ২৯১ রানে। পরদিন মিরাজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ আরও ১৫৩ রান যোগ করে অলআউট হয় ৪৪৪ রানে।

প্রথম ইনিংসে ২১৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ২২ রান উঠতেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। এরপর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও ওপেনার বেন কারেন ৪৭ রানের জুটি গড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ম্যাচে বল হাতে ফের আলো ছড়ান মেহেদি হাসান মিরাজ। আরভিনকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তিনি। একই ওভারে ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরেকেও। এরপর আর মাত্র ৪২ রান যোগ করতেই জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১১১ রানে।

মিরাজ একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ১৩তম বারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান তিনি। ইনিংসের শেষ উইকেটটি রান আউট করে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন মমিনুল হক।

এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে টানা ছয় টেস্টে জয়হীন থাকার হতাশা ঘোচালো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে সমতায় শেষ করল টাইগাররা।

এই ম্যাচটি শুধু একটি জয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক বড় মুহূর্ত। বিশেষ করে মেহেদি হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আবারও প্রমাণ করলো, দলের বিপদের সময় তিনি কতটা নির্ভরতার প্রতীক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মিরাজের ব্যাটিং- বোলিং নৈপুণ্যে ইনিংস ব্যবধানে টাইগারদের দাপুটে জয়, সিরিজ শেষ সমতায়

আপডেট সময় ০৬:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে অনন্য অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের নায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। তার সেঞ্চুরি ও ৫ উইকেটের কীর্তিতে টাইগাররা তিন দিনেই ম্যাচ গুটিয়ে নেয়।

সিলেটে প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় লজ্জার হারের পর সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে উতরে গেল স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  শূন্য রানে ৩ উইকেট, চাপে অস্ট্রেলিয়া

সাগরিকায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে করে ২২৭ রান। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ২৯১ রানে। পরদিন মিরাজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির উপর ভর করে বাংলাদেশ আরও ১৫৩ রান যোগ করে অলআউট হয় ৪৪৪ রানে।

প্রথম ইনিংসে ২১৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ২২ রান উঠতেই হারায় প্রথম তিন উইকেট। এরপর অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও ওপেনার বেন কারেন ৪৭ রানের জুটি গড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ম্যাচে বল হাতে ফের আলো ছড়ান মেহেদি হাসান মিরাজ। আরভিনকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তিনি। একই ওভারে ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরেকেও। এরপর আর মাত্র ৪২ রান যোগ করতেই জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় ১১১ রানে।

মিরাজ একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ১৩তম বারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান তিনি। ইনিংসের শেষ উইকেটটি রান আউট করে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন মমিনুল হক।

এই জয়ের মাধ্যমে ঘরের মাঠে টানা ছয় টেস্টে জয়হীন থাকার হতাশা ঘোচালো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে সমতায় শেষ করল টাইগাররা।

এই ম্যাচটি শুধু একটি জয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক বড় মুহূর্ত। বিশেষ করে মেহেদি হাসান মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আবারও প্রমাণ করলো, দলের বিপদের সময় তিনি কতটা নির্ভরতার প্রতীক।