০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যসহ ১১ কর্মকর্তা পদত্যাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 116

ছবি সংগৃহীত

 

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করেছেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শীর্ষ কর্মকর্তা। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ফেসবুক পোস্টে উপাচার্যের পদত্যাগপত্রের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকের স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রের ছবিও শেয়ার করা হয়েছে।

উপাচার্য ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া ছাড়াও পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন- মো. রেজওয়ান খান, এসওএসই অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসান সারওয়ার, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. কে মাসুকুর রহমান, ড. তাহমিনা ফয়েজ, ড. সুমন আহমেদ, ড. জান্নাতুন নুর মুক্তা, ড. এস এম রফিকুল ইসলাম এবং ডিরেক্টর (কো-অর্ডিনেশন) অধ্যাপক এ এস এম সালাহউদ্দিন।

এর আগে শনিবার সকাল থেকে ৩ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে ইউআইইউ-এর শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাদের প্রতিবাদ। পরে শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে আমরণ অনশনের ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

প্রথমত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ এবং ইউআইইউ রিফর্ম ১.০ ও জুলাই বিপ্লবে বাধা প্রদান, এক ছাত্রী পিতৃহারা হওয়ার পর তার কাছে ডেড সার্টিফিকেট চাওয়ার অভিযোগ, আইসিইউ থেকে ফিরে আসা শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি না দেয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে একক সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল হুদার পদত্যাগের দাবি।

দ্বিতীয়ত, মিড টার্ম পরীক্ষার সময় ১৫ মিনিট কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের নিয়মে ফিরিয়ে আনার আহ্বান।

তৃতীয়ত, ইউআইইউ রিফর্ম ১.০ এ যেসব দাবি পূরণ হয়েছিল, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি। বিশেষ করে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষার ফি মিড টার্মে কোর্সপ্রতি ২ হাজার টাকা এবং ফাইনাল পরীক্ষায় ৩ হাজার টাকা নির্ধারণের বিষয়টি কার্যকর করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আসে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যসহ ১১ কর্মকর্তা পদত্যাগ

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

 

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করেছেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শীর্ষ কর্মকর্তা। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ফেসবুক পোস্টে উপাচার্যের পদত্যাগপত্রের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকের স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রের ছবিও শেয়ার করা হয়েছে।

উপাচার্য ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া ছাড়াও পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন- মো. রেজওয়ান খান, এসওএসই অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসান সারওয়ার, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. কে মাসুকুর রহমান, ড. তাহমিনা ফয়েজ, ড. সুমন আহমেদ, ড. জান্নাতুন নুর মুক্তা, ড. এস এম রফিকুল ইসলাম এবং ডিরেক্টর (কো-অর্ডিনেশন) অধ্যাপক এ এস এম সালাহউদ্দিন।

এর আগে শনিবার সকাল থেকে ৩ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে ইউআইইউ-এর শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাদের প্রতিবাদ। পরে শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে আমরণ অনশনের ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

প্রথমত, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ এবং ইউআইইউ রিফর্ম ১.০ ও জুলাই বিপ্লবে বাধা প্রদান, এক ছাত্রী পিতৃহারা হওয়ার পর তার কাছে ডেড সার্টিফিকেট চাওয়ার অভিযোগ, আইসিইউ থেকে ফিরে আসা শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি না দেয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে একক সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল হুদার পদত্যাগের দাবি।

দ্বিতীয়ত, মিড টার্ম পরীক্ষার সময় ১৫ মিনিট কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের নিয়মে ফিরিয়ে আনার আহ্বান।

তৃতীয়ত, ইউআইইউ রিফর্ম ১.০ এ যেসব দাবি পূরণ হয়েছিল, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি। বিশেষ করে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষার ফি মিড টার্মে কোর্সপ্রতি ২ হাজার টাকা এবং ফাইনাল পরীক্ষায় ৩ হাজার টাকা নির্ধারণের বিষয়টি কার্যকর করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আসে বলে জানা গেছে।