ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

চীনের বাজারে যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম, রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 403

ছবি সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুস্বাদু আম এবার ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবারের মতো চীনের বাজারে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে। এই সম্ভাবনায় খুশির হাওয়া বইছে জেলার আম চাষি, বাগান মালিক ও রফতানিকারকদের মাঝে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আম রফতানিতে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করা গেলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বিগত কয়েক বছর ধরেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রফতানি হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে বিশাল সম্ভাবনাময় চীনের বাজার। সম্প্রতি চীনা আমদানিকারকদের একটি প্রতিনিধি দল জেলার বিভিন্ন আমবাগান এবং গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধন কেন্দ্র ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহী হওয়ার কথা জানান।

এই খবরে আশার আলো দেখছেন জেলার উদ্যোক্তারা। তাদের ভাষ্য, যদি সরাসরি বাগান থেকে আম রফতানি করা যায়, তাহলে আম চাষিরা ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের ছাড়াই সরাসরি চীনের বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হলে দেশীয় অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের হেজেমনিক মনোভাব পরিত্যাগ করতে হবে:চীন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী জানান, আম রফতানিতে যে ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দূরীকরণের কাজ চলছে। কৃষকদের সহযোগিতা এবং রফতানি বাড়াতে কৃষি বিভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, আম রফতানিতে কোনো বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা নেই। নিয়মিত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং রফতানি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমির আমবাগান থেকে প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চীনের বাজারে আম রফতানির এই নতুন সম্ভাবনা শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের বাজারে যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম, রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার

আপডেট সময় ১১:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুস্বাদু আম এবার ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবারের মতো চীনের বাজারে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে। এই সম্ভাবনায় খুশির হাওয়া বইছে জেলার আম চাষি, বাগান মালিক ও রফতানিকারকদের মাঝে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আম রফতানিতে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করা গেলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বিগত কয়েক বছর ধরেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রফতানি হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে বিশাল সম্ভাবনাময় চীনের বাজার। সম্প্রতি চীনা আমদানিকারকদের একটি প্রতিনিধি দল জেলার বিভিন্ন আমবাগান এবং গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধন কেন্দ্র ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহী হওয়ার কথা জানান।

এই খবরে আশার আলো দেখছেন জেলার উদ্যোক্তারা। তাদের ভাষ্য, যদি সরাসরি বাগান থেকে আম রফতানি করা যায়, তাহলে আম চাষিরা ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের ছাড়াই সরাসরি চীনের বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হলে দেশীয় অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

আরও পড়ুন  চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী জানান, আম রফতানিতে যে ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দূরীকরণের কাজ চলছে। কৃষকদের সহযোগিতা এবং রফতানি বাড়াতে কৃষি বিভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, আম রফতানিতে কোনো বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা নেই। নিয়মিত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং রফতানি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমির আমবাগান থেকে প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চীনের বাজারে আম রফতানির এই নতুন সম্ভাবনা শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।