ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা লোকজনের ওপর চরম জুলুম করা হচ্ছে: শফিকুর রহমান ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প টিকটকার রাকিব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, যেভাবে চলে কিলিং মিশন ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজবাড়ীতে রেলব্রিজে ধাক্কা লেগে ট্রেনের ছাদে থাকা যুবকের মৃত্যু শাহেদ ধাঁচে নতুন ড্রোন: ব্যাপক উৎপাদনে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ সস্তা ড্রোনে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ: ব্যয়ের অসমতায় চাপে প্রচলিত শক্তি আফগানিস্তানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলা বিশ্বজুড়ে তিন দিন ঈদ: আজ, কাল ও পরশু কবে কোথায় জানুন

অপহরণকাণ্ডে খাগড়াছড়িতে যৌথবাহিনীর উদ্ধার অভিযান, আটক ৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 154

ছবি সংগৃহীত

 

খাগড়াছড়িতে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচ শিক্ষার্থীসহ ছয়জনকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। সোমবার (২১ এপ্রিল) ভোররাতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের পূর্ণ চন্দ্র কার্বারী পাড়ায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) একটি গোপন আস্তানায় হানা দিয়ে ৭ জনকে আটক করে বাহিনী।

যৌথবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে অভিযান চালানো হয় পাহাড়ি ওই এলাকায়। অভিযানের সময় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ সামরিক পোশাক, গুলি, অস্ত্রাংশ, ইউপিডিএফের সাংগঠনিক নথিপত্র, বিভিন্ন বই ও খাদ্যসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী সংগঠনটির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রমাণ বহন করে বলে জানায় বাহিনী।

আরও পড়ুন  তদন্তে সাফল্য, নিখোঁজ রিফাতকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিলো উত্তরখান থানা পুলিশ

গত ১৬ এপ্রিল বুধবার খাগড়াছড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে পাঁচজন চবি শিক্ষার্থী এবং আরও একজন অপহৃত হন। অপহৃতদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) নেতাও রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ইউপিডিএফকে দায়ী করে।

অপহরণের ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ি ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা হুমকি ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দফায় দফায় আলোচনা ও তদন্ত শুরু হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে সংগঠনটি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।

অভিযানে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অপহৃতদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপহরণকাণ্ডে খাগড়াছড়িতে যৌথবাহিনীর উদ্ধার অভিযান, আটক ৭

আপডেট সময় ০১:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

খাগড়াছড়িতে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচ শিক্ষার্থীসহ ছয়জনকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। সোমবার (২১ এপ্রিল) ভোররাতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের পূর্ণ চন্দ্র কার্বারী পাড়ায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) একটি গোপন আস্তানায় হানা দিয়ে ৭ জনকে আটক করে বাহিনী।

যৌথবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে অভিযান চালানো হয় পাহাড়ি ওই এলাকায়। অভিযানের সময় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ সামরিক পোশাক, গুলি, অস্ত্রাংশ, ইউপিডিএফের সাংগঠনিক নথিপত্র, বিভিন্ন বই ও খাদ্যসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী সংগঠনটির সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রমাণ বহন করে বলে জানায় বাহিনী।

আরও পড়ুন  গাজায় বালির ঢিবি থেকে ৬৬ ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার

গত ১৬ এপ্রিল বুধবার খাগড়াছড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে পাঁচজন চবি শিক্ষার্থী এবং আরও একজন অপহৃত হন। অপহৃতদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) নেতাও রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ইউপিডিএফকে দায়ী করে।

অপহরণের ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ি ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা হুমকি ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দফায় দফায় আলোচনা ও তদন্ত শুরু হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে সংগঠনটি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।

অভিযানে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অপহৃতদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত থাকবে।