০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সেন্টমার্টিনে টানা নয় মাস পর্যটন কার্যক্রম স্থগিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 75

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশের একক প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগামী নয় মাসের জন্য পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে, চলতি পর্যটন মৌসুম শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে দ্বীপে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে না।

প্রতি বছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপে ভ্রমণের অনুমতি থাকলেও, এবার পরিবেশগত সংকট বিবেচনায় এই সময়সীমা দুই মাস হ্রাস করে ৩১ জানুয়ারিতে শেষ করা হয়েছে। আগামী নয় মাসকে একটি পুনরুদ্ধার পর্যায় হিসেবে গণ্য করা হবে, যেখানে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম, রাজকাঁকড়া ও বিরল পাখি প্রজাতিগুলো তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবাধে বিচরণ ও বংশবিস্তারের সুযোগ পাবে।

এর আগেও দ্বীপটিতে আলোকসজ্জা, বারবিকিউ, প্লাস্টিক দ্রব্য ব্যবহার এবং মোটরচালিত যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন সজিবের বর্ণনায়, শেষ দফা পর্যটক শনিবার দ্বীপ ত্যাগ করেছেন এবং রোববার থেকে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকেই গৃহীত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে টানা নয় মাস পর্যটন কার্যক্রম স্থগিত

আপডেট সময় ০৬:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

 

দেশের একক প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগামী নয় মাসের জন্য পর্যটক ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে, চলতি পর্যটন মৌসুম শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে দ্বীপে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে না।

প্রতি বছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপে ভ্রমণের অনুমতি থাকলেও, এবার পরিবেশগত সংকট বিবেচনায় এই সময়সীমা দুই মাস হ্রাস করে ৩১ জানুয়ারিতে শেষ করা হয়েছে। আগামী নয় মাসকে একটি পুনরুদ্ধার পর্যায় হিসেবে গণ্য করা হবে, যেখানে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম, রাজকাঁকড়া ও বিরল পাখি প্রজাতিগুলো তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবাধে বিচরণ ও বংশবিস্তারের সুযোগ পাবে।

এর আগেও দ্বীপটিতে আলোকসজ্জা, বারবিকিউ, প্লাস্টিক দ্রব্য ব্যবহার এবং মোটরচালিত যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন সজিবের বর্ণনায়, শেষ দফা পর্যটক শনিবার দ্বীপ ত্যাগ করেছেন এবং রোববার থেকে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকেই গৃহীত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।