০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধন – কুইবেক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 47

ছবি: সংগৃহীত

 

উত্তর আমেরিকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধনের নাম কুইবেক। কানাডার সবচেয়ে সুপরিচিত এই প্রদেশটি ফরাসি ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ১৭শ শতকে ফরাসি অভিযাত্রী স্যামুয়েল দে শ্যাম্পলেন যে শহরে প্রথম বসতি স্থাপন করেন, আজকের কুইবেক সিটি সেই ঐতিহাসিক ধারারই উত্তরাধিকার বহন করছে।

পুরনো কুইবেক-ওল্ড কুইবেক-ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। দুর্গবেষ্টিত এই শহরকে বলা হয় উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে প্রাচীন ইউরোপীয় স্টাইলের বসতি। এখানে আছে সেন্ট লরেন্স নদীর তীর, ঐতিহাসিক সিটাডেল, আর বিশ্বখ্যাত চাতো ফ্রঁতনাক পৃথিবীর সর্বাধিক ছবি তোলা হোটেলগুলোর অন্যতম হিসেবে পরিচিত।

বিজ্ঞাপন

কুইবেকের আরেক বিখ্যাত স্থান হলো মন্টমরেন্সি ফলস। নায়াগ্রার তুলনায় উচ্চতায় বেশি এই জলপ্রপাত বরাবরই পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। শীতকালে এটি বরফে জমে গিয়ে তৈরি করে অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য।

মন্ট্রিয়ল—কুইবেকের সবচেয়ে বড় শহর—সংস্কৃতি, উৎসব ও খাদ্যরসিকদের তীর্থস্থান। ১৬৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শহর ইতিহাসের পাশাপাশি আধুনিকতারও চূড়ান্ত সমন্বয়। সেন্ট জোসেফস ওরেটরি, নটরডেম বাসিলিকা ও পুরনো বন্দর অঞ্চল শহরের ঐতিহাসিক পরিচয় তুলে ধরে।

প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য কুইবেক এক স্বপ্নরাজ্য। লরেন্টিয়ান পর্বতমালা, অসংখ্য লেক, জাতীয় উদ্যান, আর শরতের রঙিন বন প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভ্রমণকারীদের টানে। এখানকার ফরাসিভাষী মানুষের হাসিমুখের আতিথেয়তা এই অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

কুইবেক শুধু পর্যটনের জায়গা নয়—এটি সংস্কৃতি, খাবার, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি জীবন্ত জাদুঘর। শত শত বছর ধরে ফরাসি ঐতিহ্যকে ধারণ করে আজও কুইবেক তার স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। তাই কানাডা ভ্রমণে কুইবেককে বলা হয় অপরিহার্য গন্তব্য।

বিস্তারিত ভিডিওটি দেখুন..

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধন – কুইবেক

আপডেট সময় ১১:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

 

উত্তর আমেরিকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধনের নাম কুইবেক। কানাডার সবচেয়ে সুপরিচিত এই প্রদেশটি ফরাসি ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ১৭শ শতকে ফরাসি অভিযাত্রী স্যামুয়েল দে শ্যাম্পলেন যে শহরে প্রথম বসতি স্থাপন করেন, আজকের কুইবেক সিটি সেই ঐতিহাসিক ধারারই উত্তরাধিকার বহন করছে।

পুরনো কুইবেক-ওল্ড কুইবেক-ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। দুর্গবেষ্টিত এই শহরকে বলা হয় উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে প্রাচীন ইউরোপীয় স্টাইলের বসতি। এখানে আছে সেন্ট লরেন্স নদীর তীর, ঐতিহাসিক সিটাডেল, আর বিশ্বখ্যাত চাতো ফ্রঁতনাক পৃথিবীর সর্বাধিক ছবি তোলা হোটেলগুলোর অন্যতম হিসেবে পরিচিত।

বিজ্ঞাপন

কুইবেকের আরেক বিখ্যাত স্থান হলো মন্টমরেন্সি ফলস। নায়াগ্রার তুলনায় উচ্চতায় বেশি এই জলপ্রপাত বরাবরই পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। শীতকালে এটি বরফে জমে গিয়ে তৈরি করে অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য।

মন্ট্রিয়ল—কুইবেকের সবচেয়ে বড় শহর—সংস্কৃতি, উৎসব ও খাদ্যরসিকদের তীর্থস্থান। ১৬৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শহর ইতিহাসের পাশাপাশি আধুনিকতারও চূড়ান্ত সমন্বয়। সেন্ট জোসেফস ওরেটরি, নটরডেম বাসিলিকা ও পুরনো বন্দর অঞ্চল শহরের ঐতিহাসিক পরিচয় তুলে ধরে।

প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য কুইবেক এক স্বপ্নরাজ্য। লরেন্টিয়ান পর্বতমালা, অসংখ্য লেক, জাতীয় উদ্যান, আর শরতের রঙিন বন প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভ্রমণকারীদের টানে। এখানকার ফরাসিভাষী মানুষের হাসিমুখের আতিথেয়তা এই অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

কুইবেক শুধু পর্যটনের জায়গা নয়—এটি সংস্কৃতি, খাবার, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি জীবন্ত জাদুঘর। শত শত বছর ধরে ফরাসি ঐতিহ্যকে ধারণ করে আজও কুইবেক তার স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। তাই কানাডা ভ্রমণে কুইবেককে বলা হয় অপরিহার্য গন্তব্য।

বিস্তারিত ভিডিওটি দেখুন..